ছবি: সংগৃহীত
লেবাননে বারবার ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করছে, এমন অভিযোগ তুলে দেশটির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল অন্তত ৮৪ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। এ ধরনের হামলা অব্যাহত থাকলে “কঠোর জবাব” দেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে তেহরান।
ইরানের এই সতর্কবার্তা এমন এক সময়ে এলো, যখন দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে আরও দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়েছেন বলে জানা গেছে।
ট্রাম্প হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের চলমান সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল অনেক দিন ধরেই হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং এই সংঘাতে অতিরিক্ত মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে।’
ট্রাম্প আরও মন্তব্য করেন, হিজবুল্লাহকে মোকাবিলায় সিরিয়া হয়তো আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে ইরানের সামরিক বাহিনী সতর্ক করে জানিয়েছে, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকলে তারা “কঠোর জবাব” দেবে।
জানা গেছে, দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। বুধবার (১৭ জুন) এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ)।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা এলাকা এবং পার্শ্ববর্তী কফর তেবনিত শহরের পূর্ব উপকণ্ঠে হামলা চালায়। এছাড়া জাহরানি অঞ্চলের আনসারিয়েহ শহরেও একটি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ‘লেবাননে ইসরায়েলি সেনাদের অব্যাহত উপস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শুক্রবার স্বাক্ষরিত হতে যাওয়া সমঝোতা চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।’
এর আগে সোমবার ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানান, গত সাড়ে তিন মাস ধরে কার্যত দখলে রাখা দক্ষিণ লেবাননের বিস্তৃত এলাকায় তাদের সেনারা অবস্থান অব্যাহত রাখবে। এর ফলে ওই অঞ্চল থেকে কয়েক হাজার বাসিন্দা নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
তবে সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি প্রসঙ্গে ইসরায়েলের কট্টরপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির বলেন, ‘ট্রাম্পের চুক্তি আমাদের ওপর বাধ্যতামূলক নয়।’
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



