ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র আজ রাতে ইরানের বিরুদ্ধে ‘কঠোর’ সামরিক হামলা চালাবে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, রাডার ব্যবস্থা, বিমান প্রতিরক্ষা এবং তাদের অধিকাংশ আক্রমণাত্মক সক্ষমতা ইতোমধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে। এরপরও যুক্তরাষ্ট্র আরও বড় ধরনের হামলা চালাবে।
একই পোস্টে ট্রাম্প বলেন, অদূর ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ এবং অন্যান্য জ্বালানি অবকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ নেবে। তিনি দাবি করেন, এর মাধ্যমে ইরানের তেল ও গ্যাস বাজারের ওপর “পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ” প্রতিষ্ঠা করা হবে।
খার্গ দ্বীপ ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর মতে, দেশটির বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই দ্বীপের টার্মিনালের মাধ্যমে রপ্তানি করা হয়।
ট্রাম্প এই মন্তব্য এমন সময় করলেন যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে, ইরানের ওপর সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। দেশটি এ হামলাকে এপ্রিল মাসে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির ‘স্পষ্ট লঙ্ঘন’ হিসেবে উল্লেখ করে ভবিষ্যতে পরিস্থিতির অবনতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকেই দায়ী করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, এই উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে যে বিপজ্জনক পরিণতি সৃষ্টি হবে, তার দায়ভার মার্কিন সরকারকেই বহন করতে হবে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি এ বিবৃতি প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান প্রস্তুত ও পরিচালনার জন্য আঞ্চলিক বিভিন্ন দেশের সামরিক স্থাপনা ব্যবহার করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো কার্যত আগ্রাসনকারীদের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছে বলে অভিযোগ তেহরানের।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



