ছবি: সংগৃহীত
ভারতের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ‘চলো সংসদ’ পদযাত্রার সময় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের দমনপীড়নের পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় এ অভিযোগ করেন তিনি।
ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্ক সংক্রান্ত উদ্বেগ নিরসনের জন্য কাজ করার পরিবর্তে কংগ্রেস সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দাবি করেন, সংসদে নিট ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য সরকারের আগ্রহ প্রকাশ করা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভ করেন রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস।
প্রধান বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস সংসদের অধিবেশনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য নির্লজ্জভাবে শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে চলেছে।
সোমবারের সিজেপি বিক্ষোভ চলাকালে ছাত্রদের বিরুদ্ধে পুলিশের দমনপীড়নের প্রতিবাদে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কংগ্রেস নেতারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভ করার কয়েক ঘণ্টা পরেই প্রধানের এ মন্তব্য আসল। এ বিক্ষোভের শেষে দিল্লি পুলিশ বেশ কয়েকজন বিরোধী নেতাকে আটক করে, যদিও পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার কথিত অনিয়ম নিয়ে জবাবদিহি, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে গত ২০ জুন থেকে এ আন্দোলন শুরু হয়। সোমবার আন্দোলনকারীরা সংসদের দিকে পদযাত্রা করার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস প্রয়োগ করে।
এ সহিংসতার জন্য আন্দোলনকারী ও পুলিশ একে অপরকে দোষারোপ করছে। গত ১৮ জুলাই দিল্লি পুলিশ সোনম ওয়াংচুককে সফদারজং হাসপাতালে স্থানান্তর করে এবং তিনি হাসপাতাল থেকেই তার অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



