ছবি: সংগৃহীত
দেশজুড়ে দ্বিতীয় দফার হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন আজ শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলা এ কর্মসূচিতে নিয়মিত টিকাদান থেকে বাদ পড়া শিশুদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এবার ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
গতকাল শুক্রবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞতিতে বলা হয়, শনিবার সকাল ৯টায় বনানীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে কড়াইলে টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন।
এর আগে গত রবিবার সচিবালয়ে হামের বিশেষ ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ইউনিসেফ, গ্যাভি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় এপ্রিল থেকে মে মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত সারা দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়। ওই কর্মসূচিতে এক কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল।
লক্ষ্যমাত্রার ১০২ থেকে ১০৪ শতাংশ পর্যন্ত অর্জিত হয়েছে।
তিনি আরো জানান, এরপর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইনে দুই কোটি ২৩ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ দেওয়া হয়। তখন দেখা যায়, আগের টিকাদান কর্মসূচিতে প্রায় ৪৩ লাখ শিশু বাদ পড়েছে। পরে মপ-আপ ক্যাম্পেইন চালিয়ে এরই মধ্যে আরো ১৯ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে।
ফলে বাকি রয়েছে ২৪ লাখ শিশু। এর সঙ্গে গত তিন মাসে ছয় মাস বয়স পূর্ণ করা আরো প্রায় ১০ লাখ শিশু যুক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ৩৪ লাখ শিশু।
সাখাওয়াত হোসেন জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বর ইউনিসেফের কাছ থেকে আরো ৪৩ লাখ ডোজ হামের টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর আগে মজুদ ছিল ১৫ লাখ ডোজ।
সব মিলিয়ে ৫৮ লাখ ডোজ টিকা রয়েছে। ১০ শতাংশ ওয়েস্টেজ বাদ দিলেও প্রায় ৫২ লাখ ডোজ টিকা থাকবে। ফলে ৩৪ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার পরও অতিরিক্ত টিকা থাকবে।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



