ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি চলার মধ্যেই দেশের শুল্ক ও কর কাঠামোকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার উদ্যোগ জোরদার করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ২৬১টি পণ্যসংক্রান্ত ট্যারিফ লাইনে শুল্ক, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (আরডি), সম্পূরক শুল্ক (এসডি), ভ্যাট এবং ন্যূনতম মূল্য ব্যবস্থায় পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সরকারের দাবি, এসব পদক্ষেপ দেশের শিল্পখাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে এবং এলডিসি-পরবর্তী বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবেশে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।
তবে অর্থনীতিবিদ, গবেষক এবং বাণিজ্য বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, এবারের বাজেটে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন থাকলেও দীর্ঘমেয়াদি শুল্ক সংস্কারের একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ এখনো অনুপস্থিত। তাদের মতে, এলডিসি উত্তরণের পর যে নতুন বাস্তবতা তৈরি হবে, তার জন্য শুধু বিচ্ছিন্ন কিছু শুল্ক সমন্বয় যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন একটি সময়সীমাবদ্ধ, সমন্বিত এবং বাস্তবভিত্তিক সংস্কার পরিকল্পনা।
এলডিসি উত্তরণ কেন গুরুত্বপূর্ণ
বাংলাদেশ কয়েক দশকের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার ধারাবাহিকতায় এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উত্তরণের পথে রয়েছে। যদিও সরকার উত্তরণ কার্যকর হওয়ার সময়সীমা আরও কয়েক বছর পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক মহলে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তবুও বাস্তবতা হলো—উত্তরণের পর বাংলাদেশকে অনেক বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা হারাতে হবে।
বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য শুল্কমুক্ত অথবা অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধায় প্রবেশ করতে পারে। বিশেষ করে তৈরি পোশাকসহ বেশ কয়েকটি রপ্তানি খাত এসব সুবিধা থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে লাভবান হয়েছে। এলডিসি মর্যাদা হারানোর পর ধীরে ধীরে এসব সুবিধা সীমিত হয়ে আসবে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে উৎপাদন ব্যয় কমানো, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শুল্ক সুরক্ষার ওপর নির্ভরতা কমানো অপরিহার্য হয়ে উঠবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এলডিসি উত্তরণের পর দেশীয় শিল্পকে কৃত্রিম সুরক্ষার মধ্যে রেখে টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। বরং উৎপাদনশীলতা, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং দক্ষতার ভিত্তিতে শিল্পখাতকে শক্তিশালী করতে হবে।
২৬১ পণ্যে কী পরিবর্তন
প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ২৬১টি পণ্যসংক্রান্ত ট্যারিফ লাইনে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এসব পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে আমদানি শুল্ক হ্রাস, সম্পূরক শুল্ক কমানো বা প্রত্যাহার, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক কাঠামো পুনর্বিন্যাস, ভ্যাট আরোপ এবং ন্যূনতম মূল্য ব্যবস্থার সংশোধন।
সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে একদিকে যেমন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বাধ্যবাধকতা পূরণ করা হবে, অন্যদিকে শিল্পখাতকে ধীরে ধীরে উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে অভ্যস্ত করে তোলা হবে।
বিশেষ করে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষার বিষয়টি এবারের শুল্ক সংস্কারে গুরুত্ব পেয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কিছু পণ্যে উচ্চ শুল্ক আরোপের কারণে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমালোচনার মুখে ছিল। নতুন প্রস্তাব সেই চাপ কমানোর একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
৬৯ পণ্যের আমদানি শুল্ক কমছে
বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, ৬৯টি পণ্যের আমদানি শুল্ক কমানো হবে। সরকারের যুক্তি, এসব পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্ক হ্রাস করলে উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং শিল্পখাত আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হতে পারবে।
অনেক ক্ষেত্রে কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি এবং উৎপাদন সহায়ক উপকরণের ওপর শুল্ক কমানোর ফলে দেশীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো সুবিধা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎপাদন ব্যয় কমানো গেলে রপ্তানিমুখী শিল্পগুলোর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতাও বাড়বে।
সম্পূরক শুল্কেও পরিবর্তন
এবারের বাজেটে ৯টি পণ্যের ওপর আরোপিত সম্পূরক শুল্ক (এসডি) কমানো অথবা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সম্পূরক শুল্ক সাধারণত নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ওপর অতিরিক্ত কর হিসেবে আরোপ করা হয়।
সরকার মনে করছে, নির্বাচিত কিছু খাতে এসডি কমানোর ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হবে এবং শিল্প উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এসডি সংস্কার আরও বিস্তৃত পরিসরে হওয়া প্রয়োজন ছিল।
নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন
নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক বা আরডি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের শুল্ক কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অনেক ক্ষেত্রে দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দিতে এবং আমদানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই শুল্ক ব্যবহার করা হয়েছে।
বর্তমানে বিদ্যমান ৯ স্তরের নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক কাঠামো কমিয়ে ৬ স্তরে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। সর্বনিম্ন হার ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হলেও সর্বোচ্চ ৩০ ও ৩৫ শতাংশ হার কমিয়ে ২৫ শতাংশে নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া ১১৩টি পণ্যের ওপর আরোপিত ৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক সম্পূর্ণ তুলে দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুল্ক কাঠামোকে কিছুটা সহজ ও স্বচ্ছ করার উদ্যোগ। তবে সামগ্রিকভাবে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্কের ওপর নির্ভরতা এখনও অনেক বেশি রয়ে গেছে।
ভ্যাটমুক্ত পণ্যে নতুন ভ্যাট
বাজেটে আরও একটি উল্লেখযোগ্য প্রস্তাব হলো বর্তমানে ভ্যাটমুক্ত থাকা ২০টি পণ্যের আমদানির ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ।
সরকারের মতে, কর কাঠামোকে আরও সমন্বিত ও ভারসাম্যপূর্ণ করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, কিছু ক্ষেত্রে এর ফলে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে এবং বাজারমূল্যে প্রভাব পড়তে পারে।
ন্যূনতম মূল্য ব্যবস্থায় বড় সংস্কার
বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে কিছু পণ্যের আমদানির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম মূল্য ব্যবস্থার প্রচলন রয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো আমদানিকারকরা যাতে কম মূল্য দেখিয়ে শুল্ক ফাঁকি দিতে না পারেন।
তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন, এই ব্যবস্থা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নীতিমালার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
নতুন বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, ১৪টি এইচএস হেডিংয়ের ক্ষেত্রে ন্যূনতম মূল্য ব্যবস্থা পুরোপুরি তুলে দেওয়া হবে। তিনটি ক্ষেত্রে তা কমানো হবে এবং ২৭টি ক্ষেত্রে পুনর্নির্ধারণ করা হবে। একইসঙ্গে চারটি নতুন পণ্য শ্রেণির জন্য ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
সব মিলিয়ে প্রায় ৫০টি এইচএস হেডিং এই সংস্কারের আওতায় আসবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্য আনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলেও সম্পূর্ণ সংস্কারের জন্য আরও সময় ও প্রস্তুতির প্রয়োজন হবে।
ডব্লিউটিওর বাধ্যবাধকতা পূরণের চাপ
বাংলাদেশে বর্তমানে ৭ হাজার ৬১১টি ট্যারিফ লাইন রয়েছে। এর মধ্যে ডব্লিউটিওর কাছে ৯৫৫টি ট্যারিফ লাইনের বিষয়ে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ।
এই ৯৫৫টির মধ্যে ৭৬৩টি কৃষিপণ্য এবং ১৯২টি অ-কৃষিপণ্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ডব্লিউটিও নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি শুল্ক ধরে রেখেছিল। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ বাণিজ্য চুক্তির স্বার্থে শুল্ক সংস্কার এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
‘সংস্কার আছে, পরিকল্পনা নেই’
গবেষণা প্রতিষ্ঠান র্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. আবদুর রাজ্জাকের মতে, এবারের বাজেটে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন থাকলেও এলডিসি উত্তরণের জন্য প্রয়োজনীয় পূর্ণাঙ্গ শুল্ক সংস্কারের রূপরেখা অনুপস্থিত।
তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের উৎপাদন খাত এখনও অনেক ক্ষেত্রে শুল্ক সুরক্ষার ওপর নির্ভরশীল। ফলে এক ধাক্কায় বড় ধরনের শুল্ক হ্রাস বাস্তবসম্মত নয়। কিন্তু আগামী তিন থেকে চার বছরে কোন খাতে কতটা সুরক্ষা কমানো হবে, কীভাবে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য শিল্পখাতকে প্রস্তুত করা হবে—সেসব বিষয়ে একটি স্পষ্ট পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন ছিল।
তার মতে, ভবিষ্যতে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) আলোচনার সময় উচ্চ শুল্ক কাঠামো বজায় থাকলে বাণিজ্য বিকৃতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
রাজস্ব নাকি প্রতিযোগিতা?
অর্থনীতিবিদদের একটি বড় অংশ মনে করেন, বাংলাদেশের শুল্ক নীতিতে এখনও রাজস্ব আহরণই প্রধান বিবেচ্য বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে।
ড. আবদুর রাজ্জাকের ভাষায়, আমদানি শুল্ক কমানো হলে রাজস্ব কমে যাওয়ার আশঙ্কায় এনবিআর অনেক সময় প্রয়োজনীয় সংস্কারে সতর্ক অবস্থান নেয়। কিন্তু এলডিসি-পরবর্তী বাস্তবতায় শুধু রাজস্ব নয়, উৎপাদন ব্যয় হ্রাস, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা অর্জনের বিষয়গুলোও সমান গুরুত্ব পাওয়া উচিত।
তার মতে, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় রাজস্ব সংগ্রহের পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলাও জরুরি।
বাজেট ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ
ড. রাজ্জাক বাজেট ঘাটতির সরকারি হিসাব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তার মতে, ঘোষিত ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি প্রকৃত চিত্র পুরোপুরি তুলে ধরে না।
এনবিআরের সম্ভাব্য রাজস্ব ঘাটতি, বৈদেশিক অর্থায়নের অনিশ্চয়তা এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রকৃত ঘাটতি প্রায় ৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
তিনি মনে করেন, উচ্চ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের চেয়ে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় মূল্যস্ফীতি, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
নির্বাচিত খাতে সুবিধা
বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মতে, এবারের বাজেটে কিছু নির্দিষ্ট খাত বিশেষ সুবিধা পেয়েছে। এর মধ্যে বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি) শিল্প অন্যতম।
তবে তাদের মতে, শুধু কয়েকটি শিল্পকে সুবিধা দেওয়ার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। দেশীয় শিল্পকে আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য প্রস্তুত করতে হলে ধাপে ধাপে সুরক্ষা কমাতে হবে এবং দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
সামনে বড় চ্যালেঞ্জ
বিশেষজ্ঞদের মতে, এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা। শুধু উচ্চ শুল্ক দিয়ে দেশীয় শিল্পকে রক্ষা করার যুগ শেষের দিকে। ভবিষ্যতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি ব্যবহার, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, লজিস্টিক ব্যয় কমানো, বন্দর ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপরই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
তাদের মতে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শুল্ক সংস্কারের কিছু প্রাথমিক পদক্ষেপ দেখা গেলেও এলডিসি-পরবর্তী অর্থনীতির জন্য প্রয়োজনীয় একটি সমন্বিত, সময়সীমাবদ্ধ এবং বাস্তবভিত্তিক রোডম্যাপ এখনও স্পষ্ট নয়। আর সেই রোডম্যাপ যতদিন অনুপস্থিত থাকবে, ততদিন বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার নতুন বাস্তবতায় বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা নানা অনিশ্চয়তা ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে থাকবে।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



