ছবি: সংগৃহীত
ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক খেসারত দিতে হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়াকে, যার অবধারিত কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত ‘বসবাসযোগ্য ভবিষ্যৎ: দক্ষিণ এশিয়ার শহরে চরম তাপের মধ্যে কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধি সুরক্ষার উপায়’ শীর্ষক একটি চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এক ভয়াবহ চিত্র। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান শহরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক ও কর্মঘণ্টার ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে রাজধানী ঢাকা। জলবায়ু পরিবর্তনের এই নীরব ঘাতক কেবল মানুষের স্বাস্থ্যহানি ঘটাচ্ছে না, বরং দেশের জিডিপি, তৈরি পোশাক খাত, কৃষি ও নির্মাণ শিল্পকে এক গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একই সুর প্রতিধ্বনিত হয়েছে জার্মানিভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাডেলফি গ্লোবাল’-এর প্রতিবেদনেও, যেখানে সতর্ক করা হয়েছে যে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তাপঝুঁকিপূর্ণ দেশে পরিণত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।
কর্মঘণ্টার মহাসংকটে ঢাকা: দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে
বিশ্বব্যাংকের তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চরম তাপপ্রবাহের কারণে কর্মক্ষমতা হ্রাস পেয়ে দক্ষিণ এশিয়ার বড় বড় মেগাসিটির মধ্যে ঢাকা সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত হবে। অতিরিক্ত গরমে মানুষের শারীরিক সক্ষমতা ও জীবনীশক্তি কমে যাওয়ায় বিপুল পরিমাণ কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, যা পূর্ণকালীন চাকরির অবলুপ্তির সমান।
২০৩০ থেকে ২০৮০: ক্ষতির দীর্ঘমেয়াদি প্রক্ষেপণ
-
২০৩০ সালের পূর্বাভাস: আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে তাপদাহের প্রভাবে শুধু ঢাকা শহরেই যে পরিমাণ কর্মঘণ্টা নষ্ট হবে, তা প্রায় ৪ লাখ ৬৫ হাজার পূর্ণকালীন চাকরির সমান। এটি ওই সময়ে ঢাকার বার্ষিক মোট কর্মঘণ্টার প্রায় ৩ শতাংশ।
-
২০৫০ সালের পূর্বাভাস: জলবায়ু পরিবর্তনের ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে এই ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৭ লাখ ৮ হাজার পূর্ণকালীন চাকরির সমপরিমাণ।
-
২০৮০ সালের পূর্বাভাস: দীর্ঘমেয়াদে এই ক্ষতি চরম আকার ধারণ করবে। ২০৮০ সাল নাগাদ ঢাকায় কর্মঘণ্টা ক্ষতির হার বৃদ্ধি পেয়ে ৭.৪ শতাংশে পৌঁছাবে, যা প্রায় ১৬ লাখ ৫০ হাজার পূর্ণকালীন চাকরির সমান।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য শহরের সঙ্গে তুলনামূলক চিত্র
ঢাকার এই ক্ষতির পরিমাণ ভারতের প্রধান শহরগুলোর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ২০৩০ সালের মধ্যে অন্য শহরগুলোর সম্ভাব্য ক্ষতির খতিয়ান নিচে দেওয়া হলো:
| শহরের নাম | ২০৩০ সালে সম্ভাব্য কর্মঘণ্টা ক্ষতি (পূর্ণকালীন চাকরির সমপরিমাণ) |
| ঢাকা | ৪,৬৫,০০০ |
| কলকাতা | ৩,৬০,০০০ |
| নয়াদিল্লি | ২,৬৬,০০০ |
| মুম্বাই | ২,০৪,০০০ |
| চেন্নাই | ১,৪১,০০০ |
| আহমেদাবাদ | ৯৯,০০০ |
| সুরাট | ৯৭,০০০ |
| বারানসি | ৫১,০০০ |
জাতীয় অর্থনীতি ও জনজীবনে তাপপ্রবাহের আঘাত
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, তাপপ্রবাহের কারণে ইতোমধ্যে ২০২৪ সালেই বাংলাদেশের অর্থনীতির আনুমানিক ১৩০ কোটি থেকে ১৮০ কোটি ডলারের প্রত্যক্ষ ক্ষতি হয়েছে, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ০.৩ থেকে ০.৪ শতাংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠলে এই ক্ষতির গতি জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে।
বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ায় যে তাপপ্রবাহ দেখা যাচ্ছে, তা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভিন্ন ও উদ্বেগজনক। চরম তাপপ্রবাহ এখন আগের চেয়ে ঘন ঘন ঘটছে, এবং এর তীব্রতা ও স্থায়িত্বকাল দুটিই বৃদ্ধি পেয়েছে।
আশঙ্কাজনক পরিসংখ্যান:
ভারত, বাংলাদেশ ও নেপালের ৭০ কোটিরও বেশি মানুষ এমন এলাকায় বসবাস করে, যেখানে বছরে অন্তত একদিন খোলা পরিবেশের তাপমাত্রা মানুষের প্রাকৃতিক সহনসীমা অতিক্রম করে। এর মধ্যে প্রায় ১২ কোটি মানুষ প্রতি বছর অন্তত এক মাস ধরে এ ধরনের চরম ও অসহ্য তাপপ্রবাহের মুখোমুখি হচ্ছে।
মানুষের সহজাত মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা থাকলেও এই চরম তাপের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে তাদের বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও শারীরিক মূল্য দিতে হচ্ছে। একদিকে যেমন কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি। ঘর বা কর্মক্ষেত্র ঠান্ডা রাখতে মানুষকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, যা তাঁদের সঞ্চয় কমিয়ে দিচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এমন বৈরী আবহাওয়ায় বসবাসের ফলে মানুষের হৃদযন্ত্র ও অন্যান্য অঙ্গে বাড়তি চাপ পড়ছে, যা দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতার জন্ম দিচ্ছে।
পোশাক খাতের সুখ্যাতি ও আগামী দিনের অশনিসংকেত
বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক (RMG) খাতের ওপর তাপপ্রবাহের প্রভাব নিয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে মিশ্র চিত্র উঠে এসেছে। একদিকে তীব্র তাপের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে, অন্যদিকে ভবিষ্যৎ রপ্তানি হ্রাসের বড় সতর্কতাও দেওয়া হয়েছে।
প্রশংসা ও গ্রিন ট্রান্সফরমেশন
বাংলাদেশ সরকার ২০১৬ সালে ‘গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড’ বা পরিবেশবান্ধব রূপান্তর তহবিল চালু করে, যার উদ্দেশ্য ছিল কারখানায় জ্বালানি ও পানিসাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার এবং উন্নত কর্মপরিবেশ তৈরিতে স্বল্পসুদে ঋণ দেওয়া। লক্ষ্যভিত্তিক অর্থায়নের এই সফল মডেলের কারণে ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ বাংলাদেশে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত লিড (LEED) সনদ পাওয়া পরিবেশবান্ধব কারখানার সংখ্যা ২৭০টি অতিক্রম করেছে।
উৎপাদনশীলতা ও রপ্তানির ঝুঁকি
এই অর্জন সত্ত্বেও চরম তাপের কারণে পোশাকশিল্পের উৎপাদনশীলতা ইতোমধ্যে কমতে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), আইএফসি এবং কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল লেবার ইনস্টিটিউটের যৌথ বিশ্লেষণে একটি মারাত্মক শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। যদি তাপজনিত চাপ মোকাবিলায় এখনই আরও কার্যকর বিশ্বব্যাপী বা স্থানীয় ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার পোশাক খাতে সম্মিলিত রপ্তানি ক্ষতি সর্বোচ্চ ৬৫.৮ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ৬ হাজার ৫৮০ কোটি ডলার) পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
কৃষি ও নির্মাণ খাতে বিপর্যয়: অ্যাডেলফি গ্লোবালের সতর্কবার্তা
জার্মানিভিত্তিক গবেষণা ও নীতি পরামর্শ প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাডেলফি গ্লোবাল’ ১৯ জুলাই প্রকাশ করেছে তাদের বিশেষ প্রতিবেদন: ‘হিট, হেলথ অ্যান্ড দ্য ইনক্রিজিং কস্টস অব লিভিং-আ কল ফর অ্যাকশন’। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের অনানুষ্ঠানিক খাতের দুটি প্রধান স্তম্ভ—কৃষি ও নির্মাণ খাতে উৎপাদনশীলতার ক্ষতি সবচেয়ে ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে।
-
কর্মদিবস হারানো: তাপজনিত প্রচণ্ড চাপের কারণে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের কৃষি ও নির্মাণ খাতের শ্রমিকেরা বছরে গড়ে ২৩.৭৫ কর্মদিবসের সমপরিমাণ কাজ হারাতে পারেন।
-
ক্ষতির ঊর্ধ্বমুখী হার: কার্বন নিঃসরণ বৈশ্বিকভাবে কিছুটা কমলেও এই দুই খাতে কর্মঘণ্টা হারানোর হার বর্তমানে বিদ্যমান ৬.২৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০৩০ সালে ৯.৫৮ শতাংশে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে।
-
আর্দ্রতা ও তাপের যৌথ থাবা: ২০২০ থেকে ২০Compute-৩৯ সালের মধ্যে দেশের অধিকাংশ এলাকায় আর্দ্রতাজনিত তাপঝুঁকি ‘উচ্চ’ থেকে ‘অতি উচ্চ’ পর্যায়ে থাকবে। এই সময়ে প্রতি বছর প্রায় ১৮৩ থেকে ২৩৯ দিন তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকতে পারে, যা উন্মুক্ত স্থানে কাজ করা শ্রমিকদের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।
সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকবেন অনানুষ্ঠানিক খাতের দিনমজুররা, কারণ তাঁদের বেশির ভাগেরই বেতনসহ ছুটি, স্বাস্থ্যবিমা বা আয়ের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা নেই। কাজ না করলে তাঁদের উনুন জ্বলে না, অথচ তীব্র গরমে কাজ করাও তাঁদের জন্য জীবনঘাতী হয়ে উঠছে।
নতুন করে দারিদ্র্য বৃদ্ধির চরম ঝুঁকি
এই অতি তাপের বহুমুখী প্রভাবের চূড়ান্ত পরিণতি হতে পারে দেশে দারিদ্র্যের হার নতুন করে বৃদ্ধি পাওয়া। একদিকে গরমের কারণে দৈনিক আয় কমছে, অন্যদিকে বাড়ছে অসুখ-বিসুখ। বাংলাদেশে জনস্বাস্থ্যের একটি বড় দুর্বলতা হলো—চিকিৎসা ব্যয়ের প্রায় ৮০ শতাংশই নাগরিককে নিজের পকেট থেকে বহন করতে হয়। ফলে গরমজনিত অসুস্থতার চিকিৎসায় বিপুল অর্থ ব্যয় করতে গিয়ে প্রতি বছর অসংখ্য নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এই পরিস্থিতিকে অত্যন্ত নিখুঁত ও সংবেদনশীলভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন:
"দেশের জনসংখ্যার বড় একটি অংশ সব সময় গরিব হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। ঝুঁকিতে থাকা মানুষের অবস্থা এমন—পানিতে সারা শরীর নিমজ্জিত রেখে নাকটা ভাসিয়ে রাখা। ঢেউ এলে ডুবে যায়, এটা সুখকর অবস্থা নয়। যেকোনো ধাক্কায় তাঁরা দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যেতে পারেন।"
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট এই তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহই হতে পারে সেই মরণকামড় বা ‘ধাক্কা’, যা নাক ভাসিয়ে রাখা এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে দারিদ্র্যের অতল গহ্বরে ডুবিয়ে দেবে।
উত্তরণের উপায়: আহমেদাবাদ মডেল ও আগাম সতর্কীকরণ
এই মহাসংকট থেকে বাঁচতে বিশ্বব্যাংক অবিলম্বে শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও ‘হিট অ্যাকশন প্ল্যান’ গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছে। এই ক্ষেত্রে ভারতের আহমেদাবাদ শহরের একটি সফল উদাহরণ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
-
আহমেদাবাদ মডেল: ২০১৩ সালে আহমেদাবাদে চরম তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়ে একটি ধারাবাহিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ বা 'হিট অ্যাকশন প্ল্যান' চালু করা হয়। এর ফলে পরিকল্পনাটি চালুর প্রথম দুই বছরেই তীব্র তাপপ্রবাহে মৃত্যুর হার ৪৭ শতাংশ কমে যায় এবং আনুমানিক ২,৩৮০ জন মানুষের প্রাণ রক্ষা পায়।
-
বিনিয়োগের সুফল: বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার শহরগুলোতে তাপপ্রবাহের আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপে প্রতি ১ ডলার বিনিয়োগ করলে তার বিপরীতে প্রায় ৫০ ডলার সমপরিমাণ অর্থনৈতিক সুফল পাওয়া যায়।
বাংলাদেশকেও এখন শুধু কারখানার ভেতরেই নয়, বরং সামগ্রিক নগর পরিকল্পনা ও গ্রামীণ শ্রমবাজারে তাপসহনশীল অবকাঠামো তৈরি করতে হবে। ছাদ সবুজায়ন (রুপ টপ গার্ডেনিং), জলাশয় রক্ষা, নগরে বনায়ন বৃদ্ধি, এবং শ্রমিকদের কাজের সময়ে নমনীয়তা আনার মতো সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে, ঢাকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চরম হুমকির মুখে পড়বে। সময় এখনই ব্যবস্থা নেওয়ার, নতুবা আগামীর উত্তপ্ত দিনগুলো বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রাকে পুরোপুরি স্তব্ধ করে দিতে পারে।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



