ছবি: সংগৃহীত
রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, সেবার মান উন্নয়ন এবং অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও কার্যকর করতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি নদীবন্দর এলাকায় পণ্য ওঠানামা প্রক্রিয়ায় ধাপে ধাপে অটোমেশন চালু করা এবং নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিআইডব্লিউটিএ প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘কর্তৃপক্ষের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও সেবার মানোন্নয়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান ও মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া এসব নির্দেশনা প্রদান করেন। সভায় বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান মো. মুহিদুল ইসলাম সংস্থার রাজস্ব বৃদ্ধি, সেবার মান উন্নয়ন এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের ওপর একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন, যেখানে ড্রেজিং কার্যক্রম, নৌপথের নাব্যতা রক্ষা, নদীবন্দর ব্যবস্থাপনা, ইজারা কার্যক্রম, রাজস্ব আহরণ, নৌ-নিরাপত্তা এবং সেবার ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিআইডব্লিউটিএকে আরও দক্ষ, প্রযুক্তিনির্ভর ও সেবামুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে। একই সঙ্গে নতুন রাজস্ব উৎস সৃষ্টি এবং বিদ্যমান সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। সভায় বিআইডব্লিউটিএর সদস্য (অর্থ) ক্যাপ্টেন (অব.) মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সদস্য (পরিকল্পনা ও পরিচালন) মো. সাজেদুর রহমান, সদস্য (প্রকৌশল) রকিবুল ইসলাম তালুকদারসহ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সাতটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
১. ব্যয়-সাশ্রয়ীভাবে অগ্রাধিকারভিত্তিক ড্রেজিং পরিচালনা, নৌপথে বয়া।
২. বাতি, বিকন ও নৌচিহ্ন আরও দৃশ্যমান করা।
৩. অনিষ্পন্ন ঘাটের ইজারা দ্রুত সম্পন্ন করা।
৪. ফোরশোর ও তীরভূমি ব্যবহার ফি যুগোপযোগী করে রাজস্ব বৃদ্ধি।
৫. নদীবন্দরে পণ্য ওঠানামায় অটোমেশন চালু।
৬. নৌযানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।
৭. নতুন সম্ভাবনাময় খাত চিহ্নিত করে রাজস্ব বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



