ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও গোপালগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, তার স্ত্রী ও সন্তানদের নামে মোট ৩৬ কোটি ২৯ লাখ ৩৯ হাজার ৪৯৫ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ও অতিরিক্ত সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) কমিশনের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম। অনুসন্ধানে এর প্রমাণ পাওয়ার পর শেখ ফজলুল করিম সেলিম, তার স্ত্রী ও সন্তানদের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়, শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নিজের নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১৩ কোটি ৫৯ লাখ ১৮ হাজার ৬০ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। একইভাবে তার স্ত্রী ও তিন সন্তানের নামেও আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বিপুল সম্পদের তথ্য পেয়েছে অনুসন্ধান দল।
এর মধ্যে তার স্ত্রী ফাতেমা সেলিমের নামে এক কোটি ৭০ লাখ ৬১ হাজার ৩৫৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া গেছে। ছেলে শেখ ফজলে নাঈমের নামে ১১ কোটি ৭০ লাখ ৬১ হাজার ৪৪ টাকা, মেয়ে শেখ আমেনা সুলতানা সোনিয়ার নামে ৬ কোটি ৭৮ লাখ ৫৫ হাজার টাকা এবং আরেক ছেলে ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিমের নামে ২ কোটি ৫০ লাখ ৪৪ হাজার ৩৬ টাকা জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
দুদক আরও বলেছে, শেখ সেলিম ছাড়া তার স্ত্রী ও তিন সন্তানের নামে-বেনামে দেশে বা বিদেশে আরও বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব সম্পদের তথ্য যাচাই এবং অর্জিত সম্পদের প্রকৃত উৎস অনুসন্ধানে তাদের চারজনকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারায় সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিগগির তাদের কাছে নোটিশ পাঠানো হবে।
২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর সেলিমের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। চলতি বছরের মার্চে শেখ ফজলুল করিম সেলিমের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছে দুদক।
বাংলাবার্তা/এসজে
.png)
.png)
.png)



