ছবি: সংগৃহীত
চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মাসভিত্তিক হিসাবে জুলাই মাসেই ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে—এ মাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৩৬ জন। একই সময়ে অন্যান্য মাসের তুলনায় জুলাইতেই সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিন অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে শুক্রবার পর্যন্ত দেশে মোট ১৫ হাজার ৩১০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে এবং মারা গেছেন ৫৪ জন। এর মধ্যে শুধু জুলাই মাসেই আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ২০৬ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ৩৬ জন।
চলতি সপ্তাহে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২৬৭০ জন ও প্রাণ গেছে ১৪ জনের। সর্বশেষ গত একদিনে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ১ জনের মৃত্যু ও ১৫৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়, গত জানুয়ারি মাসে দেশে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয় ১ হাজার ৮১ জন, ফেব্রুয়ারি মাসে ৪০৯, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০, মে মাসে ৭১৪, জুনে ২ হাজার ৯০৭ জন।
এর মধ্যে জানুয়ারিতে মারা যায় ২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২ জন, মার্চে ১ জন, জুনে ১৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হন ১১ জন। ১৫ জন ভর্তি হন দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাইরে ভর্তি হন আরো ৫০ জন।
বিভাগভিত্তিক হিসেবে বরিশালে ৪ জন, চট্টগ্রামে ৬৯ জন এবং খুলনায় ৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে বরিশাল বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়েন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৫ হাজার ৩১০ জন রোগীর মধ্যে ১৪ হাজার ৮৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য রাখে ২০০০ সাল থেকে। এর মধ্যে ২০২৩ সালে এ রোগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়। একই বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যুও হয়। ২০২৫ সালে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয় চার শতাধিক মানুষের, শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২ হাজারের মত।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



