ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ ঘিরে উত্তেজনার পর সংঘাত বন্ধে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী মঙ্গলবার (৩০ জুন) কাতারের দোহায় দুই দেশের মধ্যে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। প্রণালি ঘিরে বিরোধ মেটানোই হবে বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়।
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ ঘিরে সামরিক হামলা বন্ধে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তার বরাতে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন সবধরনের সামরিক অভিযান স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে দুই দেশের কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কিছু জানায়নি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুদ্ধ শেষে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে হরমুজের নিরাপত্তা ও জাহাজ চলাচল নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা থেকেই নতুন করে সৃষ্টি হয় উত্তেজনা।
এদিকে, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার জেরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নির্ধারিত কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা থেকে সরে দাঁড়িয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং সমঝোতা স্মারকের শর্ত পূরণ না হওয়ায় রোববারের বৈঠকে অংশ নেয়নি তেহরান। সমঝোতার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত, আলোচনায় অগ্রগতি সম্ভব নয় বলেও দাবি করেন তিনি।
হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল পরিচালনা ও পুরোপুরি স্বাভাবিক করার দায়িত্ব একমাত্র ইরানের। এমন দাবি করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। একই সঙ্গে তার সতর্কবার্তা, হরমুজ প্রণালি পরিচালনায় ইরানের ভূমিকায় কোনো হস্তক্ষেপ করা হলে তা স্বাক্ষরিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের নেতাদের বিরুদ্ধে ‘শিশুহত্যা’, যুদ্ধাপরাধ ও আগ্রাসনের অভিযোগ এনে তাদের বিচার দাবি করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলি খামেনি। এক্সে দেয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, এসব অপরাধের জন্য দায়ীদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



