ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের গোয়েন্দা শাখা ‘অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ’ (এআইআর)-এর ধারাবাহিক কঠোর অভিযানে বিভিন্ন আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের রাজস্ব ফাঁকির ভয়াবহ রূপ উন্মোচিত হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কড়া নজরদারি ও অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত এসব অভিযানে মাত্র এক মাসের ব্যবধানে ৬৯টি প্রতিষ্ঠান থেকে জরিমানাসহ প্রায় ২৪ কোটি টাকার বকেয়া রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। ফাঁকিবাজ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় বহুজাতিক জায়ান্ট কোম্পানি থেকে শুরু করে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী এবং ছোট-বড় নানা আমদানিকারক যুক্ত রয়েছে।
কাস্টমস কর্মকর্তাদের মতে, রাজস্ব ফাঁকি দিতে অনিয়মের যেসব কৌশল বা ফন্দিফিকির প্রয়োগ করা হয়েছে, তা রূপকথার গল্পকেও হার মানায়। একদিকে ঘোষিত পণ্যের আড়ালে সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং উচ্চ শুল্কের পণ্য গোপনে খালাস করার অপচেষ্টা, অন্যদিকে পণ্যের আন্তর্জাতিক সংকেত (এইচএস কোড) ও কাস্টমস প্রসিডিউর কোড (সিপিসি) পরিবর্তন করে কম শুল্ক দেওয়ার অপকৌশল অবলম্বন করা হয়েছে।
রাজস্ব ফাঁকিতে অনিয়মের বহুমাত্রিক কৌশল
চট্টগ্রাম কাস্টমসের এআইআর শাখার অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে অনিয়মের নানা বৈচিত্র্যময় ধরন:
-
মিথ্যা এইচএস কোড ব্যবহার: উচ্চ শুল্কযুক্ত পণ্যকে কম শুল্কের কোডে শ্রেণীবদ্ধ করে শুল্ক ফাঁকি দেওয়া।
-
সিপিসি (CPC) জালিয়াতি: রেয়াতি সুবিধা পেতে ভুল কোড বা কাস্টমস প্রসিডিউর কোড জালিয়াতি করা।
-
ঘোষণা বহির্ভূত ও অতিরিক্ত পণ্য: চালানের নথি এবং কন্টেইনারে ঘোষিত পরিমাণের চেয়ে শতভাগ পর্যন্ত অতিরিক্ত পণ্য নিয়ে আসা।
-
তথ্য গোপন ও ভিন্ন পণ্য আমদানি: একটি সাধারণ বা মূল পণ্যের আড়ালে একদম ভিন্ন প্রকৃতির ও উচ্চ মূল্যের নিষিদ্ধ বা শুল্কযোগ্য পণ্য গোপন করে আনা।
বহুজাতিক ও শীর্ষস্থানীয় দেশীয় শিল্পগোষ্ঠীর অনিয়ম
এনবিআর সূত্র জানায়, বহুজাতিক রঙ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড সোলার প্যানেলের জন্য স্টিল স্ট্রাকচার আমদানির সময় ভুল এইচএস কোড ব্যবহার করে পণ্য খালাসের ঘোষণা দেয়। তাদের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট টি ডব্লিউ এক্সপ্রেসের মাধ্যমে দেওয়া ওই ভুল ঘোষণার বিষয়টি এআইআর শাখার নজরে এলে জরিমানাসহ ২৫ লাখ ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় করা হয়।
দেশীয় শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠান আকিজ কমোডিটিজ লিমিটেড গুঁড়ো দুধের চালান আমদানির ক্ষেত্রে কার্নেশন মিল্ক ও ফুড প্রিপারেশনের কোড বদলে ২২ লাখ ৮১ হাজার টাকা রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা চালায়, যা হাতেনাতে ধরে ফেলে কাস্টমস গোয়েন্দারা।
রেয়াতি হারের সুবিধা অপব্যবহারের উদ্দেশ্যে কাস্টমস প্রসিডিউর কোড (সিপিসি) জালিয়াতির আশ্রয় নেয় আরএফএল গ্রুপ। গ্রুপের প্রতিষ্ঠান আরএফএল ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড ফ্রিজের কাঁচামাল আমদানির সময় কম রেয়াতি হারের পণ্য বেশি এবং উচ্চ রেয়াতি হারের পণ্য কম দেখিয়ে সুকৌশলে ৪৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকা শুল্ক ফাঁকির পাঁয়তারা করেছিল।
একইভাবে স্টিমার মেশিনারিজ আমদানিতে কাস্টমস সিপিসি পরিবর্তন করে ৩৫ লাখ ২০ হাজার টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ধরা পড়ে সালাম স্টিল রি-রোলিং মিলস (প্রা.) লিমিটেড।
ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ল্যাম্পস পিএলসি সুইচের মেটাল পার্টস আমদানিতে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ১৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা এবং ঘোষিত পরিমাণের চেয়ে অতিরিক্ত মেটাল পার্টস এনে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসহ অতিরিক্ত শুল্ক পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছে।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান সুপার পেট্রোকেমিক্যালস পাম্পের যন্ত্রাংশ আমদানির নামে ভেতরে রাখা স্লিভ ও স্পেসারের তথ্য গোপন করে ২ লাখ ৬৩ হাজার টাকা রাজস্ব ফাঁকির মুখে পড়ে জরিমানা প্রদান করে।
উচ্চ শুল্কের পণ্য গোপন ও অতিরিক্ত পণ্যের চালান
চালানের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কিছু প্রতিষ্ঠান সুনির্দিষ্ট পণ্যের আড়ালে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী উচ্চ শুল্কের পণ্য গোপনে নিয়ে এসেছে:
-
ইউনিস্টার টেক্সটাইল: সেকেন্ড হ্যান্ড পাওয়ার লুমের চালানে স্ক্রু, ট্রাইসাইকেল শক কানেকশন, সাইকেল লক ও রিয়ার ডিফারেনশিয়াল এক্সেল গোপন করে একক চালানে সর্বোচ্চ ২ কোটি ১০ লাখ টাকা ফাঁকি দেওয়ার দায়ে অভিযুক্ত হয়। পরবর্তীতে তাদের থেকে এই বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত শুল্ক ও জরিমানা আদায় করা হয়।
-
এম এ টেক্সটাইল: সুতা তৈরির মেশিনারিজের আড়ালে ইলেকট্রিক স্কুটি, নাট-বল্টু ও সি-সল্ট গোপনে আমদানি করে ধরা পড়ে এবং ৯১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা শুল্ক ও জরিমানা পরিশোধ করে।
-
লিনেক্স ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ লিমিটেড: স্মার্টফোনের এলসিএম চালানে ঘোষিত পরিমাণের চেয়ে ১২৭০ কেজি বা ৫৭.৩৮% অতিরিক্ত পণ্য এনে ধরা পড়ে। প্রতিষ্ঠানটি দুটি পৃথক অনিয়মের ঘটনায় ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা এবং ৭২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব ও জরিমানা হিসেবে জমাদান করে।
-
মেসার্স সিরামিক গ্যালারি: সিরামিক টাইলস চালানে ২০৯৪.৭২ বর্গমিটার অতিরিক্ত পণ্য এনে ৭২ লাখ ২৩ হাজার টাকা জরিমানা দেয়।
-
ট্রেডস্টেপ লাইন: ভ্যাকুয়াম ব্লাড কালেকশন টিউবকে কম শুল্কের গ্লাস টিউব হিসেবে ঘোষণা দিয়ে ৭১ লাখ ৯ হাজার টাকা শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করে এআইআর শাখার রোষাণলে পড়ে।
জরিমানাসহ জরিমানা আদায় হওয়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তালিকা
তদন্তে আরও যেসব ছোট-বড় প্রতিষ্ঠান অনিয়ম ও রাজস্ব ফাঁকিতে অভিযুক্ত হয়ে অতিরিক্ত শুল্ক এবং জরিমানা পরিশোধ করেছে, সেগুলোর বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
-
এমএ এন্টারপ্রাইজ: অতিরিক্ত জিআইওয়্যার আমদানির দায়ে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।
-
ডায়মন্ড স্টিল প্রোডাক্টস প্রা. লিমিটেড: ফেরাস ওয়েস্ট ও স্ক্র্যাপ ঘোষণায় অতিরিক্ত মালপত্র এবং সম্পূর্ণ ঘোষণা বহির্ভূত হট রোল শিট পাওয়ায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
-
ট্রেড মার্ট: ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
-
মেসার্স রফি ইমপেক্স: ৭৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা।
-
মন্নান মোটরস: ৬৭ লাখ ৭৭ হাজার টাকা।
-
মেসার্স অনিক্স এন্টারপ্রাইজ: ৬৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা।
-
প্রিন্ট টেকনোলজিস: ৫২ লাখ ৫২ হাজার টাকা।
-
মেসার্স জিয়া গার্মেন্টস: ৫০ লাখ টাকা।
-
হামিম ইলেকট্রনিক্স: ৪৮ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।
-
আজমি এন্টারপ্রাইজ: ৪৩ লাখ ১৯ হাজার টাকা।
-
ট্রেড ইস্ট ওয়েস্ট কর্পোরেশন লিমিটেড: ৪০ লাখ ৩৩ হাজার টাকা।
-
ভেনাস ট্রেডিং (ভেনাস ট্রেডিং কর্পোরেশন): ৩৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা।
-
তানিশা এন্টারপ্রাইজ: ৩৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।
-
মানিক অ্যান্ড ব্রাদার্স: ৩৪ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।
-
ওয়েলকাম ট্রেডিং: ২৯ লাখ ৮ হাজার টাকা।
-
আই.এন এন্টারপ্রাইজ: ২৮ লাখ ৭৯ হাজার টাকা।
-
বাংলাট্রনিক্স টেকনোলজি লিমিটেড: ২৮ লাখ ৭৩ হাজার টাকা।
-
ফাতেমা ট্রেডিং: ২৮ লাখ ৭১ হাজার টাকা।
-
আজওয়াহ ট্রেডিং: ২৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।
-
বঙ্গা বিল্ডিং মেটেরিয়ালস লিমিটেড: ২৩ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।
-
কাব্য ইন্টারন্যাশনাল / মেসার্স আইবিডি নেটওয়ার্ক: ২২ লাখ ৭৩ হাজার টাকা।
-
অটো হাউস: ২২ লাখ টাকা।
-
বিসমিল্লাহ বিজনেস জোন: ২১ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
-
অয়ান টেলিকম: ১৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
-
হাইড্রোক্যাম বাংলাদেশ: ১৬ লাখ ৭৯ হাজার টাকা।
-
আরবি ট্রেডার্স: ১৬ লাখ ৫৩ হাজার টাকা।
-
জুলি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল: ১৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকা।
-
আনিকা ইন্টারন্যাশনাল: ১৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকা।
-
আর.কে ট্রেডার্স: ১৩ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।
-
আইডিয়াল এন্টারপ্রাইজ: ১৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা।
-
মেসার্স জয়নাল মোটরস: ১১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
-
নাশির এন্টারপ্রাইজ: ১১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।
-
এলিট এন্টারপ্রাইজ: ১১ লাখ ৬১ হাজার টাকা।
-
গোল্ডেন ইন্টারন্যাশনাল বিডি লিমিটেড: ১০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
-
নাসির সিনটেক্স অ্যালুমিনিয়াম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড: ১০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
-
বিল্টেক ডিস্ট্রিবিউশন: ১০ লাখ টাকা।
-
এসই এন্টারপ্রাইজ: ৯ লাখ ৭২ হাজার টাকা।
-
রেদোয়ান ট্রেডিং কর্পোরেশন: ৯ লাখ টাকা।
-
সাদিয়া এন্টারপ্রাইজ: ৮ লাখ ৭৪ হাজার টাকা।
-
আমিগো পলিফাইবার কো. লিমিটেড: ৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।
-
ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি: ৮ লাখ ২০ হাজার টাকা।
-
সেঞ্চুরি ট্রেড: ৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।
-
আরিশা ফ্যাশন: ৭ লাখ ৪৯ হাজার টাকা।
-
এম. এন. এক্সেসরিজ লিমিটেড: ৭ লাখ ৪৯ হাজার টাকা।
-
সভাব ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি: ৭ লাখ ১৮ হাজার টাকা।
-
এজেএ ইন্টারন্যাশনাল: ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা।
-
মনোপুল বাংলাদেশ পিএলসি: ৫ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।
-
মেসার্স সানোয়ার ক্রোকারিজ: ৫ লাখ ১৮ হাজার টাকা।
-
ভিশন এন্টারপ্রাইজ: ৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা।
-
সোহাগ এন্টারপ্রাইজ: ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
-
মাদার অ্যান্ড সন্স ইন্টারন্যাশনাল: ৩ লাখ ৫ হাজার টাকা।
-
রি-বিল্ড কম্পিউটার: ২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা।
-
জিল্লু অটো কর্পোরেশন: ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
-
এফ আহমেদ ট্রেডিং: ২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।
-
মেসার্স কাশফুল এন্টারপ্রাইজ: ১ লাখ ৯৬ হাজার টাকা।
-
ট্রেড এক্স ইন্টারন্যাশনাল: ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা।
এছাড়াও, আমদানি নিষিদ্ধ ব্যবহার করা সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে আসার অপরাধে মেসার্স সার্ফিং ট্রেডিং নামক একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাদের চালান স্থগিত করা হয়।
যেভাবে নজরদারি জোরদার করেছে এআইআর
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা শাখা হিসেবে পরিচিত এআইআর টিম প্রধানত তিনটি উপায়ে চালানের ওপর নজরদারি বাড়ায়:
১. গোয়েন্দা তথ্য: গোপন সূত্র থেকে তথ্য পাওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকের বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (BIN) লক করে দেওয়া। ২. ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও প্রোফাইলিং: যেসব প্রতিষ্ঠানের বিগত ইতিহাস সন্দেহজনক বা যেসব পণ্য চালানে ফাঁকির প্রবণতা বেশি, সেগুলোর ওপর বিশেষ নজর রাখা। ৩. বিআইএন লক ও খালাস স্থগিত: বন্দরে পৌঁছানো মাত্রই সন্দেহভাজন কন্টেইনার কাস্টমস কায়িক পরীক্ষার জন্য লাল চিহ্নিত করে খালাস প্রক্রিয়া স্থগিত করে দেওয়া।
সাম্প্রতিক সময়ে অসাধু আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের নানা অপতৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় জুলাই মাস এবং তার পূর্ববর্তী সময়ের কায়িক পরীক্ষা ও পর্যালোচনার মাধ্যমে আটক করা চালানগুলো থেকে এই ২৪ কোটি টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
ভবিষ্যতে জিরো টলারেন্স নীতি
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কর্মকর্তারা সাফ জানিয়েছেন, কাস্টমস ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ডাটা অ্যানালিটিক্স ব্যবহার করে অসাধু চক্রগুলোর সকল রুট বন্ধ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে কোনো প্রতিষ্ঠান মিথ্যা ঘোষণা বা নথি জালিয়াতির মাধ্যমে দেশের রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠোর আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি তাদের লাইসেন্স বাতিল এবং আইনানুগ মামলা দায়ের করা হবে। কাস্টমস প্রশাসনের এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ফলে রাজস্ব ফাঁকিবাজ চক্রের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে মনে করছেন কাস্টমস বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



