ছবি: সংগৃহীত
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এমপি ও জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে কারসাজি ও জালিয়াতির মাধ্যমে ২৫৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটি জানিয়েছে, সাকিবসহ অভিযুক্ত ১৫ জনের বিরুদ্ধে শিগগিরই অভিযোগপত্র দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এ সংক্রান্ত মামলার তদন্ত ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
সাকিব ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আদাবর থানার একটি হত্যা মামলার আসামি। ওই বছর ৫ আগস্ট সরকার পতনের সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন, এরপর আর দেশে ফেরেননি। সবশেষ গত বুধবার দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন তিনি। এর পরপরই মাগুরায় তার গ্রামের বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
অন্যদিকে ২০২৫ সালের ১৭ জুন দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে শেয়ারবাজারে কারসাজির অভিযোগের মামলাটি করেছিলেন। এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



