ছবি: সংগৃহীত
২৭, ৩৫, ৩৩, ৪০ ও ১১! সাধারণ কিছু সংখ্যা মনে হলেও এগুলো একটি দলের পাঁচ ম্যাচে হজম করা গোলের সংখ্যা। চীনে চলমান আইএসইএফ অনূর্ধ্ব-১৮ স্কুল বিশ্বকাপে এমনই হতাশাজনক পারফরম্যান্স বাংলাদেশের।
পাঁচ ম্যাচে ১৪৬ গোল হজম করে প্রতিপক্ষের জালে একবারও বল পাঠাতে পারেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
গত ১৯ অক্টোবর সুচৌ তাইহু এফসি স্টেডিয়ামের ৭ নম্বর মাঠে চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্ব শুরু করে বাংলাদেশ। তবে প্রথম ম্যাচেই ২৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারের মুখ দেখতে হয় দলকে।
পরদিন দ্বিতীয় ম্যাচে জার্মানির মুখোমুখি হয় বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলাররা।
প্রথম ম্যাচের পর ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা থাকলেও সেই ম্যাচে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। জার্মানির কাছে ৩৫-০ গোলে বিধ্বস্ত হয় বাংলাদেশ।
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ২১ অক্টোবর মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামে দলটি। সুচৌ এক্সপেরিমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি সিটি মাঠে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচেও প্রতিরোধ গড়তে পারেনি বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা।
৩৩-০ গোলের ব্যবধানে হেরে গ্রুপ পর্ব শেষ করে তারা।
পয়েন্টের খাতা শূন্য থাকায় ‘সি’ গ্রুপের তলানিতে থেকে বিদায় নিতে হয় দলকে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেয়।
গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের পর স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও ঘুরে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয় অনূর্ধ্ব-১৮ দল। প্রথমে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ৪০-০ গোলে হারে বাংলাদেশ।
এরপর হাইতির কাছেও ১১-০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয় তারা।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



