ছবি: সংগৃহীত
মাসখানেক আগে ইরানের ওপর আগ্রাসন চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে স্থল অভিযানের পরিকল্পনা করছে। এ খবর প্রকাশিত হওয়ার পর ইরানের গণমাধ্যম তেহরান টাইমস তাদের ইংরেজি সংস্করণের প্রথম পাতায় শিরোনাম দিয়েছে ‘ওয়েলকাম টু হেল’ (জাহান্নামে স্বাগতম)। প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি জানানো হয়েছে; বলা হয়েছে, কোনো মার্কিন সেনা যদি ইরানের মাটিতে প্রবেশ করে, তারা কফিনে করেই ফিরে যাবে। এই সতর্কবার্তা এমন সময়ে এসেছে যখন মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত ১০ হাজার সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে।
ওয়াশিংটন ইরানের ভেতরে স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনা নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন মোতায়েন হলে এটি অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন ইরানের সঙ্গে সংঘাত শেষ করতে শান্তি আলোচনা চলছে। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের উদ্দেশ্য হলো ট্রাম্পকে সামরিক বিকল্পের পরিধি বাড়িয়ে দেওয়া। ইতোমধ্যে হাজার হাজার প্যারাট্রুপার ও মেরিন সেনা ওই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে।
একজন ইরানি কর্মকর্তা জানান, যদি যুক্তরাষ্ট্র স্থল অভিযান চালায়, তেহরান হুথি বিদ্রোহীদের সক্রিয় করতে পারে। ইয়েমেনভিত্তিক এই গোষ্ঠীকে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলের ওপর হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হতে পারে, যা যুদ্ধের নতুন ফ্রন্ট খুলে দিতে পারে। তবে ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে বলছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে স্থলযুদ্ধে সেনা পাঠানোর কোনো ইচ্ছা রাখেন না। এছাড়া, অতিরিক্ত মার্কিন সেনাদের কোথায় অবস্থান নেবে তাও স্পষ্ট নয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভবত তাদের অবস্থান দেওয়া হতে পারে ইরান ও গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ আইল্যান্ডের কাছাকাছি।
তবে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী শুক্রবার জানিয়েছে, তারা তেহরানের কেন্দ্রে ‘ইরানি সন্ত্রাসী শাসনের’ অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। একই দিনে তারা বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলেও পুনরায় হামলা চালায় দখলদার দেশটি। যেখানে তাদের দাবি অনুযায়ী হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু ছিল।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



