ফাইল ছবি
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী মঙ্গলবার (২৫ মার্চ ২০২৫) স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৫ প্রদান করবেন। অনুষ্ঠানটি সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানী ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। এ তথ্য গতকাল তথ্য অধিদপ্তর প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের জন্য সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে, যারা তাঁদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন।
এ বছর যে সাত ব্যক্তির নাম ঘোষণা করা হয়েছে, তারা হলেন:
১. অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর) - তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য এই পুরস্কারে সম্মানিত হচ্ছেন।
২. মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর) - সাহিত্যে তাঁর বিশিষ্ট কীর্তির জন্য তিনি এই পুরস্কার পাচ্ছেন।
৩. নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর) - সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদান রাখায় তিনি এ পুরস্কারে ভূষিত হচ্ছেন।
৪. স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর) - সমাজসেবায় তাঁর ব্যাপক কাজের জন্য তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন।
৫. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান (আজম খান) (মরণোত্তর) - মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদান রাখায় এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে তাঁকে।
৬. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর - শিক্ষা ও গবেষণায় তাঁর কৃতিত্বপূর্ণ কাজের জন্য তিনি এই সম্মান পাচ্ছেন।
৭. আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর) - প্রতিবাদী তারুণ্যের জন্য তার অকুতভয় ও সাহসী ভূমিকার কারণে তাকে এই পুরস্কারে সম্মানিত করা হচ্ছে।
মঙ্গলবারের এই অনুষ্ঠানটি স্বাধীনতা দিবসের একটি বিশেষ অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি কেবল দেশের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের একটি অংশ নয়, বরং বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎসও।
রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকা ১১ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছিল, এবং সেই অনুযায়ী এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়া সাত বিশিষ্ট ব্যক্তি তাঁদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখে দেশ ও জাতির জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন।
এটি স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান রক্তদানের প্রতিফলন এবং জাতির উন্নতির পথপ্রদর্শক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



