ছবি: সংগৃহীত
প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোল হজম করার অভ্যাস ছেলেদের মতো মেয়েদের ফুটবলকেও পেয়ে বসেছে রীতিমতো। প্রথম ম্যাচে চীনের বিপক্ষে প্রথমার্ধের শেষ দিকে ৩ মিনিটে ২ গোল হজম করে বসেছিল বাংলাদেশ। এবার উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষেও প্রথমার্ধে ২ গোল হজম করে বসল দল, এবার এই দুই গোল হয়েছে ২ মিনিটের এদিক ওদিকে।
ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে উত্তর কোরিয়া। প্রথম পাঁচ মিনিটের মধ্যেই তারা কয়েকবার বাংলাদেশের রক্ষণে আক্রমণ চালায়। তবে তখন গোল পায়নি।
৬ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পায় উত্তর কোরিয়া। ফরোয়ার্ড হান জিন হং একা গোলের সামনে চলে যান। কিন্তু চমৎকার সেভ করে বাংলাদেশকে বাঁচান গোলরক্ষক মিলি।
১১ মিনিটেও আবার আক্রমণে আসে উত্তর কোরিয়া। এবারও হান জিন হংয়ের শট ঠেকিয়ে দেন মিলি। তার এই নৈপুণ্যে তখনও সমতায় ছিল বাংলাদেশ।
১৪ মিনিটে বল বাংলাদেশের জালে জড়িয়েছিল। গোলটি করেন কিম কিয়ং–ইয়ং। কিন্তু ভিএআর দেখে রেফারি হ্যান্ডবলের কারণে গোল বাতিল করেন। এতে বড় বিপদ থেকে বেঁচে যায় বাংলাদেশ।
২৬ মিনিটে কর্নার থেকে হেড করেন হ্যান ঝিং হং। সেই বল ঠেকিয়ে দেন মিলি। পরে মিলির হাতে থাকা বল থেকে শট নিয়ে গোল করেন মিও ইয়ো ঝং। কিন্তু ভিএআরে দেখে সেই গোলও বাতিল করেন রেফারি।
৩১ মিনিটে আবার বাংলাদেশের জালে বল জড়ায়। তবে অফসাইডের কারণে সেই গোলও বাতিল হয়। অফসাইডে পড়েন কিম কিয়ং–ইয়ং।
৩৮ মিনিটে আরেকটি সুযোগ আসে উত্তর কোরিয়ার সামনে। কিম কিয়ং–ইংয়ের হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এতে আবারও বেঁচে যায় বাংলাদেশ।
৪৩ মিনিটে ফাউল করে বাংলাদেশের নবীরন দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন। এর আগে ৯ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেছিলেন শামসুন্নাহার।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই তিনটি পরিবর্তন আনেন কোচ পিটার বাটলার। স্বপ্না রাণী, আনিকা রানিয়া ও উমেহলা মারমাকে মাঠে নামানো হয়। তুলে নেওয়া হয় তহুরা খাতুন, আইরিন খাতুন এবং শামসুন্নাহার জুনিয়রকে।
যোগ করা সময়ের তিন মিনিটে আবারও বাংলাদেশকে বাঁচান গোলরক্ষক মিলি। তিনি মিও ইউ ঝংয়ের শট ঠেকিয়ে দেন।
তবে যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে শেষ পর্যন্ত গোল পায় উত্তর কোরিয়া। বক্সের ভেতর আফঈদা প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় হং সংয়ের জার্সি ধরে ফেললে পেনাল্টি পায় উত্তর কোরিয়া। সেই পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মিয়ং ইউ–ঝং।
প্রথম গোলের দুই মিনিটের মধ্যেই ব্যবধান বাড়ায় উত্তর কোরিয়া। দ্বিতীয় গোলটি করেন কিম কিয়ং–ইয়ং। এতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে যায় উত্তর কোরিয়ার হাতে।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



