ছবি: সংগৃহীত
ঢাকার গুলশানে এক পথচারীকে মারধরের অভিযোগে আলোচনায় আসা রুশ-বাংলা মডেল মনিকা কবিরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী জান্নাতুল ফেরদৌস ডাকযোগে এ নোটিশ পাঠান।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, এক পথচারীকে মারধর করছেন মনিকা, যা পরবর্তীতে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।
নোটিশে মনিকা কবিরকে অবিলম্বে এ ধরনের অশালীন ও বিতর্কিত কনটেন্ট তৈরি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া সংশ্লিষ্ট ভিডিও ও কনটেন্ট সরিয়ে নেওয়া এবং সেই ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে তাকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। সেখানে তার ছোট পোশাক নিয়েও দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, আগে থেকেই নানা সময়ে প্রকাশ্যে খোলামেলা চলাফেরা ও পোশাক পরিবর্তন করা নিয়ে এই কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের সমালোচনার মুখে পড়তে দেখা গেছে।
তবে এক্ষেত্রে নিজের পোশাকের পক্ষেই থাকছেন মনিকা। এদেশের মানুষের মানসিকতা নেতিবাচক উল্লেখ করে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘আমি তো শর্ট পরে বের হইনি। বের হয়েছি স্কার্ট পরে। বাংলাদেশের নায়িকারা আমার থেকেও অনেক নোংরা জামা পরে। তাদের সঙ্গে কিছু কেউ বলে না। আমার সঙ্গে কেন সবাই প্রবলেম করছে। এই দেশে থাকব না। এখানকার মানুষের মানসিকতা নেগেটিভ।’
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে মনিকা নামে পরিচিত হলেও তার রুশ নাম মারিয়া ভ্যালিরিয়েভনা। রাশিয়ার মস্কোতে জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই নারীর মা একজন রাশিয়ান এবং বাবা ভারতীয় যিনি চামড়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
বাবার ব্যবসার সূত্রেই মনিকাকে বিভিন্ন সময় এশিয়া ও ইউরোপের নানা দেশে যেতে হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তার বাবার ব্যবসার সঙ্গে বাংলাদেশের সংযোগ থাকায় ২০১২ সালে প্রথমবারের মতো তিনি বাংলাদেশে আসেন।
ভাষা ও অনুবাদের প্রতি বিশেষ আগ্রহের কারণে ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনে আন্তর্জাতিক অনুবাদ (ইন্টারন্যাশনাল ট্রান্সলেশন) বিষয়ে পড়াশোনা করেন মনিকা। তার দাবি, মাতৃভাষা রুশ ছাড়াও বাংলা, হিন্দি, পোলিশ, আজারবাইজানি, তুর্কি ও ইংরেজি ভাষায় অনর্গল কথা বলতে পারেন তিনি।
বর্তমানে মনিকা কবির ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘আনজারা’-এর সঙ্গে কাজ করছেন।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



