ছবি: সংগৃহীত
কোনো গ্রাহক যদি ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি উত্তোলন বা জমা দেন, তবে তার তথ্য আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ (বিএফআইইউ)-কে জানাতে হবে। অর্থ পাচার প্রতিরোধ ও নজরদারি বাড়ানোর লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশের সব তফসিলী ব্যাংকের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি সপ্তাহের নগদ লেনদেনের তথ্য পরবর্তী সপ্তাহের প্রথম তিন কার্যদিবসের মধ্যে বিএফআইইউ-র কাছে জমা দিতে হবে।
বিএফআইইউ-র নিয়ম অনুযায়ী, কোনো একটি নির্দিষ্ট দিনে একক হিসাবে যদি ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি অংকের নগদ টাকা জমা অথবা উত্তোলন করা হয়, তবে সেই তথ্য সিটিআর হিসেবে গণ্য হবে। বৈদেশিক মুদ্রার ক্ষেত্রেও সমপরিমাণ অর্থ লেনদেনের তথ্য দিতে হবে। অনলাইনে বা এটিএম বুথের মাধ্যমে করা লেনদেনও এই রিপোর্টিংয়ের আওতায় আসবে। একক বা একাধিক কিস্তিতে একই দিনে ১০ লাখ টাকার বেশি লেনদেন হলেই ব্যাংকগুলোকে তা বাধ্যতামূলকভাবে জানাতে হবে।
সার্কুলারে জানানো হয়েছে, নতুন এই সাপ্তাহিক রিপোর্টিং ব্যবস্থা আগামী ১১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। এ ছাড়া ১ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ের লেনদেনের তথ্য আগামী ১৩ জানুয়ারির মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিএফআইইউ সতর্ক করে দিয়েছে যে, সঠিক সময়ে রিপোর্ট জমা না দিলে অথবা ভুল, অসম্পূর্ণ বা মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ২৩ ধারা অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর আওতায় বিএফআইইউ এই নির্দেশনা জারি করেছে। বিএফআইইউ-র পরিচালক এ কে এম গোলাম মাহমুদ স্বাক্ষরিত এই সার্কুলারটি এরইমধ্যে দেশের সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



