বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ১১ ১৪৩২

বাংলা বার্তা || Bangla Barta

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধ কি শেষের পথে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

প্রকাশিত: ০৯:০১, ২৬ মার্চ ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধ কি শেষের পথে?

ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ১৫ দফার একটি পরিকল্পনা পেশ করেছেন; যাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দাবি ও প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে। আল জাজিরা নিশ্চিত করেছে যে, পরিকল্পনাটি পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান চলতি সপ্তাহেই জানিয়েছিল যে, তারা শান্তি আলোচনার আতিথেয়তা করতে বা ভেন্যু হতে প্রস্তুত।

ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে ওয়াশিংটন এবং তেহরান এই সপ্তাহে ‘‘অত্যন্ত ভালো এবং ফলপ্রসূ আলোচনা’’ করেছে। তবে ইরান ধারাবাহিকভাবেই যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো ধরনের আলোচনা করার কথা অস্বীকার করে আসছে। ট্রাম্পের এই দাবির জবাবে ইরানের নেতারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আসলে ‘‘নিজেদের সাথেই নিজেরা আলোচনা করছে’’।

ইরানের সাথে আলোচনা চলাকালীন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যে যুদ্ধ শুরু করেছিল, এখন তার চড়া মূল্য দিতে হচ্ছে। এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও শেয়ার বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে, জাহাজ চলাচল ব্যাহত করছে এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হতাহতের ঘটনা ঘটাচ্ছে।

ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) পর্যন্ত শুধুমাত্র ইরানেই ১,৫০০ জন নিহত এবং ১৮,৫৫১ জন আহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা শুরু করার কয়েকদিন পর, দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) ঘোষণা করে যে, হরমুজ প্রণালী জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে তারা অনুমোদিত অল্প সংখ্যক জাহাজ— প্রধানত ভারত, পাকিস্তান এবং চীনের পতাকাবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে শুরু করেছে।

জাহাজ চলাচল ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক সম্পদ এবং জ্বালানি অবকাঠামোতে ইরানি হামলার ফলে তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১০০ ডলারের উপরে উঠে গেছে; যেখানে যুদ্ধপূর্ব আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ছিল প্রায় ৬৫ ডলার।

বুধবার ট্রাম্প প্রশাসনের ১৫ দফা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার খবর প্রকাশ্যে আসার পর, বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারে কিছুটা চাঙ্গা ভাব দেখা গেছে। এছাড়া তেলের দাম সামান্য কমেছে। তবে পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আদৌ কোনো আলোচনা হচ্ছে কি না, আর যদি হয়েও থাকে তবে যুদ্ধের সমাপ্তি টানতে দুই পক্ষ সফলভাবে সমঝোতায় পৌঁছতে পারবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কারণ, তাদের দাবিদাওয়াগুলোর মধ্যে আকাশ-পাতাল ব্যবধান রয়ে গেছে।

প্রত্যেক পক্ষ আসলে কী চায়, সে সম্পর্কে এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে তা নিচে দেওয়া হলো।

যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফা পরিকল্পনায় কী আছে?

আল জাজিরা এবং আমেরিকান ও ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমগুলো খবর দিয়েছে, যুদ্ধের অবসান ঘটাতে আলোচনার শর্তাবলি নির্ধারণের জন্য এক মাসের যুদ্ধবিরতিসহ ১৫ দফার একটি শান্তি পরিকল্পনা পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ওয়াশিংটন ডিসি থেকে আল জাজিরার জন হেনড্রেন জানিয়েছেন, পাকিস্তান, মিশর এবং তুরস্ক বৃহস্পতিবারের মধ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি শান্তি বৈঠক আয়োজনের জন্য চাপ দিয়ে আসছে বলে জানা গেছে।

হেনড্রেন বলেন, ‌‌‘‘মার্কিন প্রশাসন যেমন শান্তি আলোচনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, তেমনি তারা যুদ্ধের জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছে।’’ তিনি মধ্যপ্রাচ্যে ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশন থেকে প্রায় ৩,০০০ মার্কিন সেনা মোতায়েনের খবরের দিকে ইঙ্গিত করে এই মন্তব্য করেন।

যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, ইসরাইল কিংবা মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত এই ১৫ দফা পরিকল্পনার বিস্তারিত নিশ্চিত করেনি। তবে ইসরাইলের চ্যানেল১২ এই পরিকল্পনার সম্ভাব্য ধারাগুলো প্রকাশের দাবি করেছে। এই প্রস্তাবগুলোর অনেকগুলোই ট্রাম্প প্রশাসন এর আগে যা বলেছিল তার সাথে হুবহু মিলে যায়।

খবর অনুযায়ী, এই পরিকল্পনার কিছু মূল পয়েন্টের মধ্যে রয়েছে:

৩০ দিনের যুদ্ধবিরতি।

নাতাঞ্জ, ইসফাহান এবং ফোরদোতে অবস্থিত ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলা।

ইরানের পক্ষ থেকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার একটি স্থায়ী অঙ্গীকার।

ইরানের কাছে ইতিমধ্যে মজুদ থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) কাছে হস্তান্তর করা এবং দেশটির অবশিষ্ট পারমাণবিক অবকাঠামোর সমস্ত উপাদান তদারকি করার জন্য আইএইএ-কে অনুমতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। এছাড়াও ইরানকে অবশ্যই দেশের অভ্যন্তরে আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ না করার অঙ্গীকার করতে হবে।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এবং সংখ্যার ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ।

আঞ্চলিক প্রক্সি (সহযোগী গোষ্ঠী) সমূহের প্রতি ইরানের সমর্থন বন্ধ করা।

আঞ্চলিক জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে ইরানি হামলা বন্ধ করা।

হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া।

ইরানের ওপর আরোপিত সমস্ত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, সেই সাথে জাতিসংঘে থাকা সেই মেকানিজম বা ব্যবস্থাটি বন্ধ করা যার মাধ্যমে পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা সম্ভব হয়।

ইরানের বুশেহর বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য মার্কিন সহায়তা প্রদান।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার এই আলোচনায় ইসরাইল কতটুকু একমত বা তাদের অনুমোদন আছে কি না, তা এখনো অস্পষ্ট। বুধবার আল জাজিরার নিদা ইব্রাহিম বলেছেন, ‌‌‘‘পর্দার আড়ালে’’ ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত ১৫টি পয়েন্টের সাথে একমত, কিন্তু তারা ‘‘চিন্তিত যে এই চুক্তিটি সফল করতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কতটা আপস করবেন’’।

ইব্রাহিম রিপোর্ট করেছেন, তারা (ইসরাইল) ভয় পাচ্ছে যে, এই ১৫টি পয়েন্ট একটি সম্ভাব্য আলোচনার ফ্রেমওয়ার্ক বা কাঠামো হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে এবং তার আগে এক মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে। ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হয়তো তার দেওয়া পয়েন্টগুলোর মধ্যে সবকটি নয়, বরং কিছু পয়েন্ট মেনে নেওয়ার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেন।

যুদ্ধের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দাবিগুলো কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে?

কিছু দাবি— যেমন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত বিষয়গুলো আগের মতোই অপরিবর্তিত রয়েছে।

২০২৫ সালের জুনে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র নাতাঞ্জ, ইসফাহান এবং ফোরদো পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছিল। এগুলো হলো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা, যেখানে ইউরেনিয়ামকে তাত্ত্বিকভাবে পারমাণবিক বোমা তৈরির সক্ষমতা পর্যন্ত সমৃদ্ধ করা সম্ভব।

২০১৫ সালে অন্যান্য দেশগুলোর সাথে ইরান যে জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) চুক্তিতে সম্মত হয়েছিল, সেই শর্তানুসারে ইরান ইতিমধ্যেই বেসামরিক ব্যবহারের মাত্রার বাইরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ না করার অঙ্গীকার করেছিল এবং নিয়মিত পরিদর্শনের আওতায় ছিল। তবে তিন বছর পর ট্রাম্প একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে সেই চুক্তি থেকে সরিয়ে নেন।

বুশেহর নামে যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে সহায়তা প্রদানের কথা যুক্তরাষ্ট্র তার ১৫ দফা পরিকল্পনায় উল্লেখ করেছে— সেটি তেহরান থেকে প্রায় ৭৫০ কিলোমিটার (৪৬৫ মাইল) দক্ষিণে অবস্থিত। এটি ইরানের একমাত্র বাণিজ্যিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এটি রাশিয়ায় উৎপাদিত ইউরেনিয়াম দ্বারা পরিচালিত হয়।

যুদ্ধের গতিপথ পরিবর্তনের সাথে সাথে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য লক্ষ্যগুলোও পরিবর্তিত হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। গত বছরের ১২ দিনের যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যেখানে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর মনোনিবেশ করেছিল, সেখানে বর্তমান যুদ্ধের সময় তারা ইরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য চাপ সৃষ্টি করেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চলমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই তেহরানে নিজ কার্যালয়ে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন।

এর এক সপ্তাহ পর, খামেনির দ্বিতীয় পুত্র মোজতবা খামেনি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হন, যে সিদ্ধান্তে ওয়াশিংটন অসন্তুষ্ট ছিল।

নতুন সর্বোচ্চ নেতা নিযুক্ত হওয়ার পর ট্রাম্প এনবিসি নিউজকে বলেছিলেন, ‘‘আমি মনে করি তারা একটি বড় ভুল করেছে। আমি জানি না এটি কতদিন টিকবে। আমার মনে হয় তারা ভুল করেছে।’’

যাই হোক, বর্তমানে প্রকাশিত ১৫ দফা পরিকল্পনায় শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের বা রেজিম চেঞ্জের বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই।

ইরান কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে?

ইরানি নেতারা দাবি করে আসছেন, ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে আদতে কোনো আলোচনাই হচ্ছে না।

ইরানের সামরিক নেতৃত্ব বলছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো আলোচনা করতে পারে না। কারণ, গত দুই বছরে চলমান আলোচনার মাঝেই যুক্তরাষ্ট্র দুইবার ইরানে হামলা চালিয়েছে।

বুধবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেশটির যৌথ সামরিক কমান্ডের প্রধান মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে উপহাস করে বলেন, ‌‌‘‘আপনার (ট্রাম্প) অভ্যন্তরীণ লড়াইয়ের স্তর কী এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, আপনি নিজের সাথেই নিজে আলোচনা করছেন?’’

আমাদের মতো মানুষ আপনাদের মতো মানুষের সাথে কখনোই এক হতে পারে না।

‌‌‘‘আমরা যেমনটা সব সময় বলে এসেছি... আমাদের মতো কেউ আপনাদের সাথে কোনো চুক্তিতে যাবে না। এখন নয়, কখনোই নয়।’’

যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে ইরানের দাবিগুলো কী কী?

যদিও ইরানের আইআরজিসি পরিষ্কার করে দিয়েছে যে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো আলোচনা করতে চায় না, তবুও শান্তিস্থাপনের জন্য ইরানের কিছু শর্ত রয়েছে। গত ১১ মার্চ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুদ্ধ শেষ করার জন্য ইরানের শর্তাবলী তুলে ধরেন।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এর একটি পোস্টে পেজেশকিয়ান লিখেন, তিনি রাশিয়া ও পাকিস্তানের নেতাদের সাথে কথা বলেছেন এবং ‌‌‘‘শান্তির প্রতি ইরানের অঙ্গীকার’’ পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

পেজেশকিয়ান লেখেন: জায়নবাদী শাসন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক প্রজ্বলিত এই যুদ্ধ বন্ধ করার একমাত্র উপায় হলো— ইরানের বৈধ অধিকারের স্বীকৃতি প্রদান, ক্ষতিপূরণ পরিশোধ এবং ভবিষ্যতে আগ্রাসন বন্ধে আন্তর্জাতিক মহলের পক্ষ থেকে দৃঢ় নিশ্চয়তা প্রদান।

বোঝা যাচ্ছে যে, ইরান তাদের ওপর আরোপিত সমস্ত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চায়।

অতিরিক্তভাবে, ইরানের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন 'প্রেস টিভি' সপ্তাহান্তে একজন ইরানি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে— তেহরান এই অঞ্চলে অবস্থিত সমস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছে। পাশাপাশি, হরমুজ প্রণালী দিয়ে পারাপার নিয়ন্ত্রণের জন্য তারা এমন একটি নতুন আইনি কাঠামো চায়; যা এই জলপথের ওপর ইরানের বর্তমান প্রকৃত আধিপত্যকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেবে।

তবে, কাতারস্থ জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির জাইদুন আলকিনানি এই মাসের শুরুতে আল জাজিরাকে বলেছেন, এই যুদ্ধ আইআরজিসি এবং ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে কিছু পার্থক্য স্পষ্ট করে তুলেছে।

আলকিনানি বলেন, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপের মুখে পেজেশকিয়ান ইরানের দাবিগুলো পূরণ হলে যুদ্ধ শেষ করার জন্য আলোচনায় কিছুটা প্রস্তুতি দেখিয়েছেন। তবে তিনি আরও যোগ করেন, আইআরজিসি’র জন্য এটি একটি অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধ এবং এই বাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যেন ভবিষ্যতে আর কখনও ইরানে হামলা না করে তা নিশ্চিত করতে শেষ পর্যন্ত লড়তে আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে।

আলকিনানি বলেন, (আইআরজিসি এবং রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে) এই পার্থক্য এবং বিভাজনগুলো এই যুদ্ধের আগেও সব সময় ছিল, কিন্তু এখন আমরা এটি আরও বেশি লক্ষ্য করতে পারি। কারণ আইআরজিসি বিশ্বাস করে যে, এই আঞ্চলিক যুদ্ধের নেতৃত্বে সম্মুখ সারিতে থাকার অধিকার তাদেরই। আর এই কারণেই তাদের অনেক বক্তব্য এবং অবস্থান পেজেশকিয়ানের আনুষ্ঠানিক অবস্থানের সাথে সাংঘর্ষিক হচ্ছে।

আলোচনা কি হতে পারে এবং হলে তার মূল লক্ষ্য কী হবে?

কিছু পর্যবেক্ষক মনে করেন, ইরান সীমিত পর্যায়ে আলোচনা করতে আগ্রহী হতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি ইরানি সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন মঙ্গলবার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ‘‘পুর্ণাঙ্গ আলোচনা’’র পরিবর্তে কেবল ‘‘যোগাযোগ’’ হয়েছে।

সূত্রটি আরও যোগ করেছে, সংঘাতের অবসান ঘটাতে ইরান ‘‘টেকসই’’ প্রস্তাবগুলো শুনতে ইচ্ছুক।

সিএনএন সেই সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, ‘‘ইরান এই মর্মে প্রয়োজনীয় সব গ্যারান্টি দিতে প্রস্তুত যে তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। তবে তারা পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের অধিকারী।’’ সেই সূত্রটি আরও জানায়, ইরানের ওপর থেকে অবশ্যই সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে।

ইরান বিশ্বের অন্যতম কঠোর নিষেধাজ্ঞা কবলিত একটি দেশ। ১৯৭৯ সালে মার্কিন সমর্থিত ইরানের শাহকে নির্বাসন থেকে ফিরে আসা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। তারপর গণভোটের মাধ্যমে দেশটি একটি ইসলামি প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়। এরপর তেহরানে মার্কিন দূতাবাসে জিম্মি সংকটের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

এটি দেশটির মানুষের আয়, তেলের রাজস্ব এবং এভিয়েশন বা বিমান চলাচল খাতকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আলোচনা হওয়া সম্ভব, কারণ যুদ্ধ শেষ করার জন্য ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়ছে। তবে এই আলোচনা সফল হবে কি না, সে বিষয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করার ক্ষেত্রে তারা সতর্ক।

ইরানি-আমেরিকান অর্থনীতিবিদ নাদের হাবিবী মঙ্গলবার আল জাজিরাকে বলেছেন, ‌‌‘‘আমি বেশ কিছু কারণে আলোচনার সম্ভাবনা ৬০ শতাংশ বলে মনে করি।’’

হাবিবী ব্যাখ্যা করেছেন, যুদ্ধের খরচ সব পক্ষের জন্যই অনেক বেশি হয়ে গেছে। উপসাগরীয় দেশগুলো— যারা ইরানি হামলার শিকার হয়েছে তাদের পক্ষ থেকে এবং প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদারদের পক্ষ থেকে জ্বালানি তেলের দাম ও শেয়ারবাজারের ওপর প্রভাবের কারণে ট্রাম্প যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণের চাপের মুখে রয়েছেন।

এছাড়াও তিনি ভোটারদের দিক থেকেও চাপের মুখে আছেন। আগামী নভেম্বরে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ভোটারদে শান্ত করতে হবে। জনমত জরিপগুলো ধারাবাহিকভাবে এটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, অধিকাংশ আমেরিকান ইরানের ওপর এই যুদ্ধ সমর্থন করে না।

নিজ দেশে হতাহত এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির শিকার হওয়ার পাশাপাশি ইরানি নেতারাও তাদের প্রতিবেশীদের কাছ থেকে আঞ্চলিক ভূখণ্ড এবং জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা বন্ধ করার বিষয়ে চাপের মুখে পড়ছেন।

হাবিবী আরও যোগ করেন, মিশর, সৌদি আরব, পাকিস্তান এবং তুরস্কের মতো বেশ কয়েকটি মধ্যস্থতাকারী দেশ ইরানি কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের পথ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, এটি আলোচনার পথ প্রশস্ত করে।

‘‘ইসরাইল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি সংক্ষিপ্ত যুদ্ধের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থা পতনের পথ আশা করেছিল। এখন তারা তাদের প্রত্যাশা পুনর্মূল্যায়ন করছে। তারা এখন একটি দীর্ঘ যুদ্ধের খরচ সম্পর্কে ভাবতে শুরু করেছে, যে যুদ্ধে ইরান ইসরাইলের ভেতরে লক্ষ্যবস্তুতে নিয়মিত আঘাত হানছে।’’

[আল-জাজিরার এক্সপ্লেইনার থেকে অনুদিত]

বাংলাবার্তা/এমএইচ

Right Side Advertisement
Right Side Advertisement
Middle Advertisement
Middle Advertisement Mobile

শীর্ষ সংবাদ:

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশে যা আছে ‘বাংলাদেশে বৃহৎ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে ইইউ’ ভুয়া জুলাই-যোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশ করলো সরকার চীন নিয়ে কারও উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তিন বিচারপতির কাছে ব্যাখ্যা নয়, তথ্য চাওয়া হয়েছে: সুপ্রিম কোর্ট গণভোট নির্বাচনের দিন বা আগে, সংসদই হবে সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাতিল হচ্ছে ১২৭ ‘জুলাই যোদ্ধার’ গেজেট জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে কতটা প্রস্তুত প্রশাসন? হাইকোর্টের রায়ে মা পেল ২ মেয়ে, বাবা এক মেয়ে পবিত্র শবে বরাত ২৫ ফেব্রুয়ারি লোহাগড়ায় মাশরাফীর পথ সভা বিএনপি ২১ নেতাকর্মীর কারাদণ্ড, খালাস ১১ নির্বাচন নিয়ে বিএনপির তথ্য অসত্য : আনিসুল হক আখাউড়ায় স্কুলের বার্ষিক ফলাফল প্রকাশ ও বিদায় সংবর্ধনা সন্তান হারানোর ব্যথাটা কত কষ্টের পরিবারই জানে : হাইকোর্ট কাপ্তাইয়ে বন্য হাতির আক্রমণে এক শিক্ষার্থী নিহত উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের ইশতেহার : নাছিম নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ইতিহাস গড়লেন টাইগারদেরা সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নির্বাচন : রিট শুনবেন না হাইকোর্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভোট বর্জনের আহ্বানে লিফলেট বিতরণ রিমির আবেদনে সাড়া দেননি চেম্বার আদালত সাতদিন আদালত বর্জনের ঘোষণা ব্যাংকের ১১ কোটি টাকা ছিনতাই মামলার প্রতিবেদন দাখিল হয়নি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে মন্দিরে ভোট চাইলেন মমতাজ রাবিতে স্মার্ট ক্লাসরুম উদ্বোধন জনগণের প্রতিরোধে সরকার টিকবে না বিএনপি আসলে নির্বাচন আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতো : কাদের বিএনপি নির্বাচনে আসেনা নিজেদের কারণে : শেখ পরশ নির্বাচনি আচারণবিধি লংঘন, মাশরাফিকে জরিমানা সাকিবকে সতর্ক করলো ইসি প্রথমবারের মত কূটনীতিকদের অগ্রগতি জানাবে ইসি ইলেকশন অবজারভার কনসোর্টিয়ামের আত্মপ্রকাশ বিরোধী নেতা-কর্মীদের ভয় দেখাতে নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ড অব্যাহত নবীজীর রওজা শরিফে বছরে একবারের বেশি যাওয়া যাবে না ঝিনাইদহে বড়দিন উদযাপন ফজলুর রহমানের মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক টুকুর নির্দেশনায় রেলপথে নাশকতা: সিটিটিসি প্রধান ভোটকেন্দ্রে যেতে জোর জবরদস্তি করা যাবে না : ডিএমপি কমিশনার উত্তরায় ট্রেন লাইনচ্যুত ভোটের দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা ফেনীতে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু সীমান্ত সড়কে ট্রাক খাদে পড়ে হেলপার নিহত মঙ্গল-বৃহস্পতিবার বিএনপির গণসংযোগ ঝিনাইদহ-১ আসনের নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ ইসির খালে অবৈধভাবে মাছ চাষ বন্ধে দ্রুতই অভিযান: মেয়র আতিক বিএনপির আলতাফসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে রায় ২৮ ডিসেম্বর ন্যান্সির বাসায় চুরির মামলায় প্রতিবেদন দাখিল হয়নি খুলনায় ১২ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ ঝিনাইদহের নৌকার প্রার্থীর অফিস ভাঙচুর কারো প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি: ইসি আলমগীর রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রদূত তারিকুল ইসলাম রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রদূত তারিকুল ইসলাম অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তি: কাদের ফালুর অবৈধ সম্পদের মামলায় সাক্ষ্য হয়নি রেল ও সড়কপথ নিরাপদ রাখতে ২৫০০ আনসার গাজায় সময়ের সাথে দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি ফেনীর বিভিন্ন স্থানে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচিতে দেশে ১৪৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন খালেদার কেবিনে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশচেষ্টা, রিজভীর উদ্বেগ অবরোধ সমর্থনে স্বেচ্ছাসেবক দলের মিছিল ট্রেনের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত আ. লীগের প্রার্থীদের হুশিয়ার করলেন ওবায়দুল কাদের অসহযোগের প্রথম দিনেই জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছে: রিজভী বেনাপোলে ফাতেমা হত্যায় শ্বশুর-শাশুড়ি আটক আলজেরিয়ায় দুর্ঘটনায় গোলরক্ষক ও কোচ নিহত সন্ত্রাসীসহ ওয়ারেন্টভুক্তদের গ্রেফতার: পুলিশ সদর দপ্তর নির্বাচনে আমার উপর আক্রমণ হতেই পারে : হিরো আলম সাতক্ষীরায় সভা ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ বিরোধী দলের ২ জনসহ চারজন শনাক্ত: র‍্যাব বিএনপি-জামায়াতের ১২১ নেতাকর্মীর দণ্ড, খালাস ৪৬ জন নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কমিশন কাজ করে যাচ্ছে : ইসি রাশেদা বিএনপির ‘অসহযোগ আন্দোলন’ অতিরিক্ত সমস্যা: ডিএমপি কমিশনার আমারা বলতে চাই নির্বাচনে যাচ্ছি : জাপা মহাসচিব ডিএনসিসি মেয়রের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ভোটকেন্দ্রের শৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স : ইসি আহসান হাবিব পেষ্ট কন্ট্রোল প্রয়োগের ভুল তথ্যের কারণে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে ট্যাক্স, বিল বাকিদের আদায়ের হুশিয়ারি: কাদের মেট্রোরেলে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা এসএসসি পরীক্ষা ২০২৪ সময়সূচি প্রকাশ বিএনপির ১৪ নেতাকর্মীর কারাদণ্ড ট্রেনে আগুন : নাশকতাকারীদের নাম পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ বিজয় নিয়ে কোনো চিন্তা নেই: হানিফ শামীম হকের প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন, শুনানি ২ জানুয়ারি প্রার্থিতা বৈধ পেতে সাদিকের শুনানি ২ জানুয়ারি ফেনীতে নৌকার মিছিলে হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে রিজভীর লিফলেট বিতরণ বিশ্বে ফের বাড়ছে করোনার আতঙ্ক নির্বাচনে আমাদের উপর দেশি-বিদেশি কোন চাপ নেই রোমানিয়াতে বাংলাদেশিসহ আটক ১০৭ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রথম পর্বের ফল প্রকাশ মানুষের সেবা করব, অভিনয় চালিয়ে যাব : মাহিয়া মাহি স্মার্ট ও সুশৃঙ্খল সৈনিক হিসেবে কাজ করতে হবে : বিজিবি ডিজি খালেদা জিয়ার দুই মামলায় চার্জ গঠন শুনানির নতুন তারিখ অপহরণ করে ৯ লাখ টাকা আদায় করেন ২ এসআই গাংনীতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ভ্যান চালকের ঝিনাইদহে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ করদাতা সম্মাননা পেলেন জাহেদ ইকবাল ৩ দিনের গণসংযোগ, ১ দিনের অবরোধ ঘোষণা বিএনপির ভোটে আসার আর সুযোগ নেই : ইসি আলমগীর বেড়েই চলেছে চীনে ভূমিকম্পের মৃত্যুর সংখ্যা এবার বিএনপির ‘অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক গাজীপুরে জাল টাকার নোটসহ চক্রের পাঁচ সদস্য গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা আমানসহ ২১৩ নেতাকর্মীর বিচার শুরু ৪ জনের মৃত্যুতে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটি পেলো নতুন সভাপতি-সম্পাদক আগুনে মানুষ হত্যাকারীদের মনুষ্যত্ব নিয়ে সন্দেহ প্রধান বিচারপতির প্রার্থিতা ফেরাতে ফের আদালতে সাদিক শাহজালালে নারী যাত্রীর কাছে মিললো ৮ কেজি সোনা বেনাপোলে শ্রমিকদের হামলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ আহত ৫ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিশু পার্ক উদ্বোধন নাশকতায় ছাড় পাবে না কেউ : র‍্যাব মহাপরিচালক জেলে ২০ হাজার নয়, ১১ হাজার নেতাকর্মী বন্দী: কাদের সরকারের পরিকল্পনায় ট্রেনে আগুন’ রাবিতে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ বিএনপি জনপ্রত্যাখ্যাত রাজনৈতিক দল : নিজাম উদ্দিন হরিণাকুন্ডুতে পুকুরে মিলল বৃদ্ধার লাশ ঝিনাইদহে নির্বাচনী সহিংসতা, আহত ২ বিএনপি মাথা মুন্ডুহীন জনপ্রত্যাখ্যাত দল: নিজাম হাজারী অনলাইন গেমের ফাঁদে কিশোরীদের ব্লাকমেইল, গ্রেফতার প্রতারক হাজারীবাগে জমি দখল করতে গিয়ে হামলার অভিযোগ ‘জনগণ তাদের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ফেরত চায়’ সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি আনিছুরের জানাযায় আইজিপি যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা জি কে শামীমের জামিন স্থগিত নির্বাচন করতে পারছেন না সাদিক আবদুল্লাহ ‘সরকারের নাশকতার দায় বিরোধী দলের ওপর চাপানো হচ্ছে’ ১০৪ বার পেছাল সাগর-রুনির প্রতিবেদন কসোভোর বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান রাষ্ট্রপতির গুলিস্তান জিরো পয়েন্টে বাসে আগুন সাদিক আব্দুল্লাহর প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন ট্রেনে আগুনে ৪ জনের মৃত্যু; দুজনের পরিচয় মিলেছে সোহেলের নেতৃত্বে শান্তিনগর-কাকরাইলে মিছিল হরতালকারীরাই রেলে আগুন দিয়েছে: ডিএমপি কমিশনার বেনাপোলে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পলাতক প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আ. লীগের শামীম হক রাজধানীতে রিজভীর নেতৃত্বে ঝটিকা মিছিল ট্রেনে আগুন সুপরিকল্পিত নাশকতা: বিএনপি ট্রেনে আগুন সুপরিকল্পিত নাশকতা: বিএনপি রিট খারিজ, প্রার্থিতা ফিরে পেলেন না শাম্মী আহমেদও ৯ মামলায় মির্জা ফখরুলের জামিন আবেদন গ্রহণের নির্দেশ আজ সুপ্রিম কোর্ট দিবস হাইকোর্টেও ব্যর্থতা : প্রার্থিতা ফিরে পেলেন না আ.লীগের শামীম কুয়েতের আমিরের মৃত্যুতে আজ বাংলাদেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক সংঘর্ষের কবলে বাইডেনের বহরের গাড়ি ১৫ দিনের ছুটিতে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ে ৯.৭ ডিগ্রি অগ্নিসন্ত্রাস করে জনগণকে জয় করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী বিএনপি নেতাসহ আট আইনজীবীর জামিন বিএনপি-জামায়াতের ২৭ নেতাকর্মীর কারাদণ্ড রাঙ্গামাটিতে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে জাপা’র হারুন ফেনীতে ২৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ গাজীপুরে রেললাইন নাশকতার ঘটনায় সাতজন গ্রেপ্তার আচরণবিধি লঙ্ঘনে ক্ষমা চাইলেন মাহিয়া মাহি লায়ন্স ক্লাবের আন্তর্জাতিক প্রতিনিধির সাথে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত ৩ জানুয়ারি মির্জা ফখরুলের জামিন শুনানি বেনাপোলে ২ কোটি টাকার স্বর্ণের বার জব্দ হিরো আলমের ওপর হামলার প্রতিবেদন ২৪ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনায় বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী সোমবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল বিএনপির মারা গেছেন কুয়েতের আমির সাজেকে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় ফেনীতে ৪০০ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা ঝিনাইদহে গোয়াল ঘরে আগুন, দগ্ধ ৩টি গরু রাবিতে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে লাখো মানুষের ঢল বিজয় মিছিলে নির্বাচনবিরোধী কর্মকাণ্ড করা যাবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে যা লিখলেন প্রধানমন্ত্রী ইসির আপিল শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ২৭৫ জন শরিকদের জয়ের নিশ্চয়তা দেবে না আ. লীগ : কাদের ইরানে পুলিশ স্টেশনে হামলায় নিহত ১১ নাশকতা এড়াতে নতুন কৌশলে চলবে ট্রেন চুয়াডাঙ্গায় জেঁকে বসেছে শীত, জনদুর্ভোগ চরমে বরিশাল-৫ আসনে জাহিদের প্রার্থীতা বৈধ, বাদ পড়লেন সাদিক জামালপুরে সড়কে প্রাণ গেল দুই ব্যবসায়ীর অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব থাকায় শাম্মীর প্রার্থীতা বাতিল ফরিদপুর-৩ আসনে বাদ পড়লেন শামীম, টিকে রইলেন আজাদ মেসির জার্সি ৮৫ কোটি টাকায় বিক্রি আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত এক বাংলাদেশি হ্যালো স্যার,একটু দরজাটা খুলবেন! চাঁদ দেখা গেছে জমাদিউস সানি শুরু বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ছোট্ট সোনামণির শ্রদ্ধা গাজীপুরে রেলে নাশকতার ঘটনায় ঢাকায় মামলা ভবিষ্যতেও দুই দেশের বন্ধুত্ব অব্যাহত থাকবে : ভারতীয় হাইকমিশনার ঝিনাইদহে শিশুদের ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার প্রকোপ ফেনীতে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত বিএনপির রাজনীতি করার অধিকার নেই : প্রধানমন্ত্রী নৌকার সালামের প্রার্থীতা বাতিল পাঁচ দিনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ২৫৭ জন কাঁচা খেজুরের রস বিক্রি বন্ধের অনুরোধ ২০২৪ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছুটি ৭৬ দিন একদিন পর রেল চলাচল শুরু সাংবাদিকদের ওপর দুর্বৃত্তের হামলা : আসামি কারাগারে ১৮ ডিসেম্বর থেকে বন্ধ রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি ঢাকায় একদিনে ২.৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমেছে রাবিতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত ইসিতে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের হাতাহাতি, আটক ২ ঝিনাইদহে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন মজনুসহ ১৩ জনের আড়াই বছরের কারাদণ্ড, খালাস ৫ বিএনপি নেতা নীরবসহ ৩৪ জনের কারাদণ্ড পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.৩ ডিগ্রি মির্জা ফখরুলের জামিনের শুনানি রোববার নির্বাচন নয়, বানরের পিঠে ভাগাভাগি হচ্ছে : মইন খান বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আখতারুজ্জামানের প্রার্থীতা বৈধ অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি টেক ট্রিপের আত্নপ্রকাশ সভা-সমাবেশ বন্ধে ইসির সিদ্ধান্ত গণবিরোধী: বিএনপি অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে : ওবায়দুল কাদের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা বিএনপির আন্দোলন মানুষ হত্যা করা: প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি ডিপজল মানসিক রোগের শারীরিক লক্ষণ বাজারে সরবরাহ বেড়েছে মুড়িকাটা পেঁয়াজ, দামও কম ইসির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় প্রথমবার টিএসসিতে থামল মেট্রোরেল স্পেনের বিনিয়োগকে স্বাগত জানানো হবে : প্রধানমন্ত্রী রিজার্ভে যোগ হবে আইএমএফের দ্বিতীয় কিস্তি : বাংলাদেশ ব্যাংক শাহবাগে যাত্রীবাহী বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পাবে নিহতের পরিবার : রেলওয়ে মহাপরিচালক গাজীপুরে ট্রেন দুর্ঘটনা বিএনপির নাশকতা: কাদের নুরের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদন ৭ ফেব্রুয়ারি যশোর-৪ আসনে আ.লীগ প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল চেয়ে রিট শাহজালালে ৭ ঘণ্টা ফ্লাইট উঠানামা বন্ধ ধানমন্ডিতে বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা কমলাপুরে ইশরাকের নেতৃত্বে বিএনপির মিছিল বাড়বে শীত,আসছে শৈত্যপ্রবাহ ২০ লাখ টাকার লোভে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে স্ত্রীকে হত্যা গাজীপুরে লাইনচ্যুত ট্রেন,নিহত ১,আহত ৭ থার্টি ফার্স্ট নাইটে ডিএমপির কড়া সতর্কতা টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে মাহিয়া মাহির শ্রদ্ধা পুলিশের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে: আইজিপি আগুন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা : কাদের বুয়েট শিক্ষার্থী হত্যা মামলার তারিখ পেছাল প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা : আপিল বিভাগে নিপুণের জামিন বহাল হার্ট ব্লক ও মানসিক অবস্থা ধানমন্ডিতে ছাত্রদলের মিছিল খাগড়াছড়িতে প্রতিপক্ষের গুলিতে ৪ ইউপিডিএফ সদস্য নিহত সকালের শুরুতেই গুলিস্তানে বাসে আগুন ফেনীতে মূসক সম্মাননা পেলেন ৯ প্রতিষ্ঠান বঙ্গভবনে শাকিবের সঙ্গে মার্কিন নায়িকা বিপুল সম্পদে, তবুও স্বপদে বহাল দুদকের মাহবুবুল আলম জাতীয় নির্বাচনের তফসিল বৈধ: হাইকোর্ট ইতালিতে ২ ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ সন্ধ্যায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠক দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে আপিল শুনানি বায়ূ দূষণের শীর্ষে ঢাকা আওয়ামী লীগের যৌথ সভা আজ গাজায় ২৪ ঘণ্টায় নিহত ৩০০ ফিলিস্তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র থাকলেই ভোটার নয় : ইসি আওয়ামী লীগে যোগদিলেন বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী সম্মেলন আজ, থাকছে বাংলাদেশও অর্ধবেলা সুপ্রিম কোর্টের বিচারিক কাজ বন্ধ যুক্তরাষ্ট্রে টর্নেডোয় নিহত ৬ আইল্যান্ডে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, নিহত ২ ভারত থেকে এলো ৭৪৩ টন পেঁয়াজ মানবাধিকার দিবসে চলছে বিএনপির মানববন্ধন ইসিতে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন যারা কমিশনার ও এসপিদের প্রত্যাহারের নির্দেশ ইসির