ছবি: সংগৃহীত
যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় চলছে ইসরাইলি বর্বরতা। দখলদার বাহিনীর হামলায় তিন সাংবাদিকসহ ১১ জন নিহত হয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়েরে বরাত দিয়েসংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিনব্যাপী ইসরাইলি হামলায় ১১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই শিশু ও তিন সাংবাদিক রয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার উপত্যকায় একটি ড্রোন পরিচালনাকারী ‘সন্দেহভাজনদের’ লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করে নেতানিয়াহুর সেনারা। পরে জানা যায়, তাদের হামলায় প্রাণ গেছে মিশরীয় ত্রাণ সংস্থার হয়ে কাজ করা কয়েকজন সাংবাদিকের। পুড়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয় তাদের মরদেহ। একইদিন দখলদার বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন শিশুসহ কয়েকজন সাধারণ ফিলিস্তিনি।
এক বিবৃতিতে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা দফতর বলেছে, গাজা শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে আল-জাহরা এলাকায় ইসরাইলি বিমান হামলায় তিন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ দেইর আল-বালাহর আল-আকসা শহীদ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত তিন সাংবাদিক হলেন মোহাম্মদ সালাহ কাশতা, আবদুল রউফ শাআত এবং আনাস ঘনেইম।
গাজায় ধ্বংসস্তূপের এই হাহাকারের মাঝেই শান্তির নতুন সমীকরণ মেলাতে এক কাতারে দাঁড়িয়েছে মুসলিম বিশ্ব। পাকিস্তান, মিশর, সৌদি আরব ও তুরস্কসহ আটটি রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখা, কোন বাধা ছাড়া ত্রাণ প্রবেশ ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে জোর দিচ্ছে দেশগুলো।
এদিকে বুধবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানান, হামাস অস্ত্র সমর্পণে রাজি হয়েছে। তিনি বলেন, অস্ত্র হাতে জন্ম নেয়া এই গোষ্ঠীর জন্য এই সিদ্ধান্ত নেয়া কঠিন হলেও শান্তি রক্ষায় তাদের এটি করতেই হবে। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে সংগঠনটি তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করলে হামাসকে দ্রুত নিশ্চিহ্ন করে দেয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।
গাজায় শান্তি ফেরাতে ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি। ফিলিস্তিন ইস্যুটি মধ্যপ্রাচ্যের অগ্রাধিকারের তালিকায় সবার উপরে থাকা উচিত বলেও মন্তব্য তার। মিশরের প্রেসিডেন্ট বলেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনই হলো এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা আনার মূল চাবিকাঠি।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



