ছবি: সংগৃহীত
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শুরু হতে বাকি আর মাত্র ৩ দিন। ঘরের মাঠে এমন বড় আসর নিয়ে দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি উন্মাদনা।
শেষ সময়ের প্রস্তুতি হিসেবে রবিবার এক প্রীতি ম্যাচ খেলেছেন সাফ দল। চেনা পরিবেশে তাই বাড়তি আত্মবিশ্বাসী দেখা গেল শমিত-হামজাদের চোখে মুখে। ঘরের মাঠে গ্যালারিভর্তি দর্শকের সমর্থন বাড়তি প্রেরণা জোগাবে বলে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার শমিত সোম বলেছেন, সবার জন্যই জিততে চাই। এটি বিশাল এক টুর্নামেন্ট।
তবে মূল ব্যাপার হলো, বাংলাদেশের দর্শকদের সামনে খেলতে আমরা মুখিয়ে আছি।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ সামনে রেখে রবিবার এক অনুষ্ঠানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। শমিত বলেন, ‘প্রায় এক বছর পর দেশের স্টেডিয়ামে খেলছি। শেষবার যখন এখানে খেলেছিলাম, আমরা ভারতকে হারিয়েছিলাম।
আশা করি সাফেও একই রকম ফল আমরা পাব।’
সান মারিনো বা ইন্দোনেশিয়ায় আসিয়ান কাপে ঘরের মাঠের মত সমর্থকদের গর্জন মিস করেছেন বলে শমিত বলেন,‘গ্যালারিভর্তি দর্শকের সমর্থন দারুণ একটা প্রেরণা যোগাবে। দেশের বাইরের ম্যাচগুলোতে আমরা এই সাপোর্টটা মিস করেছি। সান মারিনোতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ছিলেন, কিন্তু আসিয়ান কাপে আমরা সেভাবে সমর্থন পাইনি। এবার ফুল স্টেডিয়ামে দেশের দর্শকদের সামনে খেলাটা আমাদের জন্য দারুণ অনুপ্রেরণা দেবে।
পুরো দেশের জন্য, দর্শকদের জন্যই আমরা শিরোপা জিততে চাই।’
সাফের ঠিক আগমুহূর্তে দলের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন খেলোয়াড় ইনজুরিতে পড়ায় দলে কিছুটা শূণ্যতা তৈরি হয়েছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন,‘অবশ্যই আমরা হামজা ও ফারহানের মতো বড় খেলোয়াড়দের মিস করব। কিন্তু আমাদের দলে এমন খেলোয়াড়ও আছে যাদের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। হয়তো তারা হামজার মতো এতটা ভালো হবে না, কারণ একেকজনের ধরন আলাদা। কিন্তু ভুটান ম্যাচ বা সামনের দিনগুলোর জন্য আমাদের বর্তমান দলটার ভালো করার সামর্থ্য আছে।’
নিজের ফিটনেস প্রসঙ্গে এই ফুটবলার বলেন, ‘সময়টা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে আমি ধীরে ধীরে প্রস্তুত হচ্ছি। এখন মূল লক্ষ্য ফিটনেস ও লোডিংটা বাড়ানো। সাফের মতো আসরে একটু ব্যথা থাকতেই পারে, কিন্তু আপনাকে খেলতে হবে, এটাই বাস্তবতা।’
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



