ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত লড়াইয়ে মাঠে রয়েছেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ১৯৬৭ প্রার্থী (ইসির প্রাথমিক হিসাব)। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিন মঙ্গলবার ৩০৫ প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বিএনপির বেশ কয়েকজন বিদ্রোহী প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের কয়েকজন নির্বাচন থেকে সরে গেছেন। ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের সমর্থনে শরিক দলগুলোর প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তবে মাঠে রয়ে গেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা। দলীয় কার্যক্রম স্থগিত থাকায় আওয়ামী লীগ ও সমমনা বেশ কয়েকটি দলের প্রার্থী নেই এ নির্বাচনে। মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় ২৯৮টি আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হয়েছে। পুনঃতফসিলের কারণে পাবনা-১ ও ২ আসনের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৬ জানুয়ারি।
জাতীয় সংসদের ২৯৮টি আসনে এখন যারা মাঠে রয়েছেন, তাদের নাম ও প্রতীক থাকবে ব্যালট পেপারে। চূড়ান্ত প্রার্থীদের আজ প্রতীক বরাদ্দ দেবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এরপরই শুরু হবে নির্বাচনি প্রচারযুদ্ধ। ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে ভোটগ্রহণ ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ভোটাররা সাদা-কালো ব্যালটে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গোলাপি ব্যালট পেপারে গণভোটে তাদের রায় দিতে পারবেন। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
মঙ্গলবার রাতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ৩৪২২ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ২৫৮৫ জন। মনোনয়নপত্র বাতিল হয় ৭২৬ জনের। এর মধ্যে আপিল করেছেন ৬৩৯ জন। আপিলে প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন ৪৩১ জন।
সরকারি আদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগ এ নির্বাচনে অংশ নেয়নি। অংশ নেয়নি আওয়ামী লীগের সমমনা দলগুলোও। এর আগে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ ২৮টি রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছিল। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২২৪টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২টি আসনে জয় পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। ওই নির্বাচন ‘আমি-ডামি’ হিসাবে পরিচিতি পায়। তখন বিএনপি, জামায়াতসহ বাকি নিবন্ধিত দলগুলো অংশ নেয়নি। এবার বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলনসহ অন্য দলগুলো অংশ নিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে প্রচার চালাতে পারবেন প্রার্থীরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির কয়েকজন প্রধান নেতা ঢাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী স. ম. খালিদুজ্জামান, জাতীয় পার্টির আতিক আহমেদ, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ-সদস্য এসএম আবুল কালাম আজাদসহ ১২ জন। এ আসন থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এমদাদুল হক।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. মো. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন মো. শফিকুল ইসলাম খান, জাতীয় পার্টির মো. সামসুল হকসহ ৮ জন। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন গণফোরামের একেএম শফিকুল ইসলাম।
ঢাকা-১১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। এ আসনের কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় বৈধ প্রার্থী ৯ জনই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন। তারা হলেন-বিএনপির এমএ কাইয়ুম, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কাজী মো. শহীদুল্লাহ, গণফোরামের আবদুল কাদের, গণঅধিকার পরিষদের আরিফুর রহমান, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির জাকির হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মিজানুর রহমান, জাতীয় পার্টির শামীম আহমেদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ।
ঢাকা-১৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। এ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মুরাদ হোসেন। বিএনপির প্রার্থী ববি হাজ্জাজসহ ৯ জন চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।
ঢাকার অন্য আসনগুলোর মধ্যে ঢাকা-৫ আসনে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির প্রার্থী মোখলেছুর রহমান কাছেমী, এবি পার্টির লুৎফর রহমান, এনসিপির এসএম শাহরিয়ার এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।
ঢাকা-৬ আসন থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন এবি পার্টির গাজী নাসির। এছাড়া ঢাকা-৭ আসন থেকে এনসিপির তারেক আহমেদ আদেল, ঢাকা-৯ থেকে খেলাফত মজলিসের ফয়েজ বকস সরকার ও জামায়াতে ইসলামীর কবির আহমদ, ঢাকা-১০ খেলাফত মজলিসের আহমদ আলী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের-জেএসডি সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল, ঢাকা-১২ থেকে বাংলাদেশ লেবার পার্টির মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা-১৬ থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আহসানউল্লাহ এবং খেলাফত মজলিসের রিফাত হোসেন মালিক প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।
এদিকে ঢাকা-৮ আসনে কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় বৈধ ১১ জন প্রার্থীই নির্বাচনি মাঠে থেকে যাচ্ছেন। তারা হলেন-বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) এএইচএম রাফিকুজ্জামান আকন্দ, বাংলাদেশ জাসদের এএফএম ইসমাইল চৌধুরী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এসএম সরওয়ার, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা, বিএনপির মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, এনসিপির মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, গণঅধিকার পরিষদের মেঘনা আলম, জনতার দলের গোলাম সারোয়ার, জাতীয় পার্টির জুবের আলম খান এবং বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের রাসেল কবির।
ঢাকা-৯ আসনে মোট বৈধ প্রার্থী ছিলেন ১৪ জন। এর মধ্যে দুজন প্রত্যাহার করায় এই আসনে এখন চূড়ান্ত প্রার্থী সংখ্যা ১২ জন। তারা হলেন জাতীয় পার্টির কাজী আবুল খায়ের, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) খন্দকার মিজানুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা, গণফোরামের নাজমা আক্তার, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের নাহিদ হোসেন চৌধুরী জুনায়েদ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মাসুদ হোসেন, এনসিপির মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফের মোহাম্মদ শফি উল্লাহ চৌধুরী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মনিরুজ্জামান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শাহ ইফতেখার আহসান, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির শাহীন খান এবং বিএনপির হাবিবুর রশিদ।
ঢাকা-১০ আসনে বৈধ প্রার্থী ছিলেন ১১ জন। দুজন প্রত্যাহার করায় এখন প্রার্থী রয়েছেন ৯ জন। তারা হলেন আমজনতা দলের আব্দুল্লাহ আল হুসাইন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির আবুল কালাম আজাদ, এবি পার্টির নাসরীন সুলতানা, জাতীয় পার্টির বহ্নি বেপারী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আ. আউয়াল, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের আনিছুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর জসীম উদ্দিন সরকার, জনতার দলের জাকির হোসেন এবং বিএনপির শেখ রবিউল আলম।
ঢাকা-১৪ আসনের কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় ১২ জন বৈধ প্রার্থীই রয়েছেন ভোটের মাঠে। তারা হলেন-জেএসডির নুরুল আমিন, জামায়াতে ইসলামীর মীর আহসান বিন কাসেম, এবি পার্টির মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবু ইউসুফ, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির ওসমান আলী, গণফোরামের জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. লিটন, এলডিপির সোহেল রানা, জাতীয় পার্টির হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির রিয়াজ উদ্দিন, বিএনপির সানজিদা ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক।
ঢাকা-১৮ আসন থেকে গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী বিলকিস নাসিমা রহমান, জামায়াতে ইসলামীর মুহম্মদ আশরাফুল হক, এলডিপির মফিজুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের সাইফ উদ্দিন আহমদ খন্দকার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহ (আমীন) প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।
ঢাকা জেলাভুক্ত আসনগুলোর মধ্যে ঢাকা-১ আসনে খেলাফত মজলিসের ফরহাদ হোসেন, ঢাকা-১৯ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. আফজাল হোসাইন ও খেলাফত মজলিসের একেএম এনামুল হক এবং ঢাকা-২০ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. আব্দুর রউফ মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
ঢাকা-১ আসনে বিএনপির খন্দকার আবু আশফাক, জামায়াতে ইসলামীর মো. নজরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মো. নাসির উদ্দিন মোল্লা, বাংলাদেশ লেবার পার্টির শেখ মোহাম্মদ আলী, ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী নূরুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র অন্তরা সেলিম হুদা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ঢাকা-২ আসনে বিএনপির আমানউল্লাহ আমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জহিরুল ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামীর কর্নেল (অব.) আব্দুল হক নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন। ঢাকা-৩ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. শাহীনুর ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদের মো. সাজ্জাদ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মোহাম্মদ জাফর, গণসংহতি আন্দোলনের মো. বাচ্চু ভূইয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. সুলতান আহমদ খান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের মজিবুর হাওলাদার, গণফোরামের মুহাম্মদ রওশন ইয়াজদানী ও জাতীয় পার্টির মো. ফারুক রয়েছেন। ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপির দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, জাতীয় পার্টির মো. বাহাদুর ইসলাম, এনসিপির দিলশানা পারুল, গণঅধিকারের শেখ শওকত হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ইসরাফিল ইসলাম সাভারী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ফারুখ খান, এলডিপির চৌধুরী হাসান সোরোয়ার্দী ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. কামরুল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। এছাড়া ঢাকা-২০ আসনে বিএনপির মো. তমিজ উদ্দিন, জাতীয় পার্টির আহসান খান, এনসিপির নাবিলা তাসনিম, খেলাফত মজলিসের আশরাফ আলী, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. আরজু মিয়া ও এবি পার্টির হেলাল উদ্দিন আহাম্মদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
দেশের ৫৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে এ নির্বাচনে ৫১টি দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। ৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল প্রার্থী দেয়নি। এসব দলের মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ, তরিকত ফেডারেশন, তৃণমূল বিএনপি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-বিএনএম।
গাজীপুর : জেলার পাঁচটি আসনে আটজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন-গাজীপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির আল আমিন, গাজীপুর-২ আসনে জামায়াতের মুহাম্মদ হোসেন আলী, বিএনপির স্বতন্ত্র মো. সালাহউদ্দিন সরকার, এবি পার্টির আব্বাস ইসলাম খান ও খেলাফত মজলিসের খন্দকার রুহুল আমিন। গাজীপুর-৩ আসনে এবি পার্টির মো. কৌশিক আহামেদ, জামায়াতের জাহাঙ্গীর আলম ও গাজীপুর-৫ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রুহুল আমিন।
চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামে ১৬টি আসনে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন- চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার। চট্টগ্রাম-২ আসনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. ওসমান আলী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এইচএম আশরাফ বিন ইয়াকুব, চট্টগ্রাম-৫ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মোক্তার আহমেদ, চট্টগ্রাম-৭ আসনে খেলাফত মজলিসের মো. আবুল কালাম, চট্টগ্রাম-৮ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ এবং চট্টগ্রাম-৯ আসনে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মো. নেজাম উদ্দীন, চট্টগ্রাম-১১ আসনে এবি পার্টির মোহাম্মদ লোকমান, চট্টগ্রাম-১২ আসনে গণঅধিকার পরিষদের এমদাদুল হাসান, চট্টগ্রাম-১৩ আসনে খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ ইমরান, চট্টগ্রাম-১৬ আসনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির মো. কফিল উদ্দিন চৌধুরী ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মুহাম্মদ মুসা।
রংপুর : ছয়টি সংসদীয় আসনের চারটি থেকে আটজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন- রংপুর-১ আসনে খেলাফত মজলিসের মোমিনুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির আল মামুন, গণঅধিকার পরিষদের হানিফুর রহমান, রংপুর-৩ আসনের খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মন্ডল ও নূরে আলম সিদ্দিক, রংপুর-৫ আসনে খেলাফত মজলিসের আনোয়ার হুসাইন, বাসদ-এর আনোয়ার হুসাইন ও রংপুর-৬ আসনে খেলাফত মজলিসের মাহবুবার রহমান।
খুলনা : পাঁচজন প্রার্থিতা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন- খুলনা-১ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ফিরোজুল ইসলাম, খুলনা-২ আসনে খেলাফত মজলিসের মো. শহিদুল ইসলাম, খুলনা-৩ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের হারুনুর রশীদ, খুলনা-৪ আসনে জামায়াতের মো. কবিরুল ইসলাম, খুলনা-৫ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আব্দুল কাইয়ুম জমাদ্দার।
রাজশাহী : তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন-রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুল করিম ও এলডিপির ওয়াহিদুজ্জামান এবং রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সুলতানুল ইসলাম তারেক।
মুন্সীগঞ্জ : মুন্সীগঞ্জের তিনটি আসনে চারজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন-মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী মীর সরাফত আলী সপু। মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে জামায়াতের অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করিম ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. আমিনুল ইসলাম। মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে খেলাফত মজলিসের আব্বাস কাজী।
পটুয়াখালী ও দশমিনা : চারটি আসনের পাঁচজন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এর মধ্যে পটুয়াখালী-১ আসনে দুজন, পটুয়াখালী-২, পটুয়াখালী-৩ ও পটুয়াখালী-৪ আসনে একজন করে রয়েছেন।
বাগেরহাট : চারটি আসনের মধ্যে তিনটি আসনে ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন-বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, মোল্লাহাট ও ফকিরহাট) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. মমিনুল হক। বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর ও কচুয়া) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রমিজ উদ্দিন, খেলাফত মজলিস বাংলাদেশের বালী নাসের ইকবাল এবং বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ সালাম। বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মোংলা) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. জুলফিকার হোসেন ও এনসিপির মো. রহমাতুল্লাহ। বিদ্রোহীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় জেলার চারটি সংসদীয় আসনের সব কটিতেই বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে।
জয়পুরহাট : জেলার দুটি আসনে তিনজন প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন- জয়পুরহাট-১ আসনে এবি পার্টির সুলতান মোহাম্মদ শামসুজ্জামান ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. আনোয়ার হোসেন এবং জয়পুরহাট-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম মোস্তফা।
ফরিদপুর : ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, মধুখালী, আলফাডাঙ্গা) আসনে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী শাহ মুহাম্মদ আবু জাফর।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ছয়টি সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামীর তিন প্রার্থীসহ ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন-ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের জামায়াতের মাওলানা মোবারক হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনে অধ্যাপক জোনায়েদ হাসান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের আবদুল বাতেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা ও আখাউড়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা নাছির উদ্দিন হাজারী।
বাবুগঞ্জ (বরিশাল) : বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে দুজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন-জাতীয় পার্টির প্রার্থী ফখরুল আহসান ও মো. ইকবাল হোসেন।
চুয়াডাঙ্গা ও দামুড়হুদা : মনোনয়পত্র প্রত্যাহার করেছেন-চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের ইসলামী আন্দোলনের হাসানুজ্জামান সজীব, এনসিপির মোল্লা ফারুক এহসান, এবি পার্টির আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এবি পার্টির আলমগীর হোসেন ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের নুর হাকিম। তবে ইসলামী আন্দোলনের একজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেও দলটি দুটি আসন থেকেই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। কারণ, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে দলটির পক্ষ থেকে একাধিক প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।
সিলেট ও গোয়াইনঘাট : সিলেটের ছয়টি আসনে ১১ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন-সিলেট-১ আসনে এনসিপির এহতেশামুল হক ও খেলাফত মজলিসের তাজুল ইসলাম। সিলেট-২ আসনে গণঅধিকার পরিষদের জামান আহমেদ সিদ্দিকী ও জামায়াতের মো. আব্দুল হান্নান। সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা-ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ) আসনে খেলাফত মজলিসের দিলওয়ার হোসাইন, জামায়াতের লোকমান আহমদ ও এনসিপির নুরুল হুদা জুনেদ। সিলেট-৪ আসনে খেলাফত মজলিসের আলী হাসান ও এনসিপির মো. রাশেল উল আলম। সিলেট-৫ আসনে জামায়াতের হাফিজ মো. আনওয়ার হোসাইন খান। সিলেট-৬ আসনে ফয়সল আহমদ চৌধুরী।
মৌলভীবাজার : তিনজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন-মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে খেলাফত মজলিসের লোকমান আহমেদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা লুৎফুর রহমান কামালী ও জামায়াতের মো. আব্দুর রব।
ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁও-২ আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক সংসদ-সদস্য জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী।
ফেনী : চারজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন-ফেনী-১ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ নাজমুল আলম, ফেনী-২ আসনে খেলাফত মজলিসের মোস্তাফিজুর রহমান, ফেনী-৩ আসনে খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ আলী ও স্বতস্ত্র প্রার্থী যুবদল নেতা খালেদ মাহমুদ।
পাবনা : পাবনা-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ-সদস্য ও পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সরদার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। তবে এখনো অনড় রয়েছেন পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টু।
সাতক্ষীরা : মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন সাতক্ষীরা-৩ আসনে এলডিপির শফিকুল ইসলাম সাহেদ ও এবি পার্টির জিএম সালাউদ্দীন। সাতক্ষীরা-২ আসনে এলডিপি ও এবি পার্টির প্রার্থী এবং সাতক্ষীরা-৪ আসনে গণঅধিকার পরিষদের এইচএম গোলাম রেজা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
মাগুরা : মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন মাগুরা-১ আসনে গণফোরামের মো. মিজানুর রহমান ও খেলাফত মজলিসের মো. ফয়জুল ইসলাম।
জামালপুর : তিনজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন-জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে গণঅধিকার পরিষদের রুবেল মাহমুদ, জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে মেহেরজান তালুকদার ও জামালপুর-৫ (সদর) আসনে এবি পার্টির ছানোয়ার হোসেন।
সুনামগঞ্জ : অবরুদ্ধ থাকায় মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারেননি সুনামগঞ্জ-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী উপাধ্যক্ষ তোফায়েল আহমদ খান। মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন তার নির্বাচনি এলাকার সংক্ষুব্ধ ভোটার ও কর্মী-সমর্থকরা। এ ছাড়া জেলার পাঁচটি আসনে আটজন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন-সুনামগঞ্জ-১ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুখলেছুর রহমান, একই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ডা. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী। সুনামগঞ্জ-২ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা শোয়াইব আহমদ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. শাখাওয়াত হোসেন। সুনামগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াতের অ্যাডভোকেট ইয়াসীন খান। সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ আজিজুল হক ও একই আসনের এলডিপির মো. মহফুজুর রহমান খালেদ। সুনামগঞ্জ-৫ আসনে স্বতন্ত্র মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী।
খাগড়াছড়ি : খাগড়াছড়ি ২৯৮নং আসনে দুজন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন-খেলাফত মজলিসের মাওলানা আনোয়ার হোসাইন মিয়াজী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সোনা রতন চাকমা।
লক্ষ্মীপুর : প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন-লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে জামায়াতের মোহাম্মদ নাজমুল হাসান পাটওয়ারী, লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের এবি পার্টির প্রার্থী কেফায়েত উল্যা ও জাকের পার্টির তসলিম।
দিনাজপুর ও পার্বতীপুর : পাঁচজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টির (জেপি) সুধীর চন্দ্র শীল, দিনাজপুর-৩ (সদর) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রেজাউল করিম, দিনাজপুর-৫ (ফুলবাড়ী-পার্বতীপুর) জামায়াতের আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আব্দুল কাদের চৌধুরী এবং দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-নবাবগঞ্জ-ঘোড়াঘাট-হাকিমপুর) আসনে এবি পার্টির আব্দুল হক।
কুমিল্লা : ৯ প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন-কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) সৈয়দ আবদুল কাদের (খেলাফত মজলিস), কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) মো. আবদুস সালাম (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট), কুমিল্লা-৬ (সদর ও সদর দক্ষিণ) হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন (বিএনপির বিদ্রোহী), মিয়া মো. তৌফিক (এবি পার্টি) কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) মোশাররফ হোসেন (জামায়াত), কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) যোবায়ের হোসেন (খেলাফত মজলিস) এবং কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে আবদুল হক আমিনী (খেলাফত মজলিস) ও মো. মাহবুবুর রহমান (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস)।
নোয়াখালী ও কোম্পানীগঞ্জ : পাঁচজন প্র্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন-নোয়াখালী-২ আসনে জামায়াতের সাইয়েদ আহমেদ, খেলাফত মজলিসের তোফাজ্জ্বল হোসেন, নোয়াখালী-৫ স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসিম উদদীন মওদুদ ও খেলফত মজলিসের আলী আহমদ এবং নোয়াখালী-৬ আসনে জামায়াতের শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক।
হবিগঞ্জ ও নবীগঞ্জ : চারজন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন-হবিগঞ্জ-১ আসনে জামায়াতের মো. শাহজাহান আলী, হবিগঞ্জ-২ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নোমান আহমদ সাদিক, হবিগঞ্জ-৩ গণঅধিকার পরিষদের চৌধুরী আশরাফুল বারী নোমান এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনে এবি পার্টির মো. মোকাম্মেল হোসেন। হবিগঞ্জ-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসাবে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী তাদের প্রার্থীকে বহাল রাখার দাবিতে প্রায় ২ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ ও প্রার্থীকে মহাসড়কে আটকে রাখেন। বিকাল ৪টার দিকে অবরোধ থেকে প্রার্থী মো. শাহজাহান আলীকে মুক্ত করে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মীরপুরীকে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
হালুয়াঘাট ও ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) : ময়মনসিংহ-১ হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া আসনে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হামিদ। আর ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের হাফেজ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস সিকদার।
নাটোর ও লালপুর : পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন-নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) এবি পার্টির এএসএম মোকাররেবুর রহমান বাবু, খেলাফত মজলিসের আজাবুল হক ও স্বতন্ত্র জাহাঙ্গীর হোসেন এবং নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে ১০ দলীয় জোটের এনসিপি প্রার্থীকে সমর্থন করে প্রত্যাহার করা জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক মো. সাইদুর রহমান ও খেলাফত মজলিসের টিংকু সরদার।
রাঙামাটি : ২৯৯-পার্বত্য রাঙামাটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোখতার আহম্মদ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
টাঙ্গাইল : ৯ প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন-টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে গণঅধিকার পরিষদের শাকিল উজ্জামান, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) জামায়াতের মো. হোসনী মোবারক, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) খেলাফত মজলিসের হাসনাত আল আমীন, টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) গণঅধিকার পরিষদের মো. কবির হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুর রহমান ও মো. শরিফুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) খেলাফতে মজলিসের মো. আবু তাহের, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এটিএম রেজাউল করিম আলরাজী এবং টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে খেলাফতে মজলিসের মো. শহীদুল ইসলাম।
মতলব (চাঁদপুর) : চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. আব্দুল মোবিন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



