ছবি: সংগৃহীত
পবিত্র রমজান মাসেও দখলদার বাহিনীর আগ্রাসন থেকে মুক্তি মিলছে না ফিলিস্তিনিদের। ইসরাইলি গণমাধ্যম জানায়, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের ওপর টিয়ার গ্যাস ছোড়ার জন্য ড্রোন মোতায়েনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। তবে পবিত্র আল আকসাসহ বিভিন্ন মসজিদে ‘অতিরিক্ত ভিড় নিয়ন্ত্রণে’ এমন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে দাবি তেল আবিবের।
শত দুঃখ-কষ্ট ভুলে পবিত্র রমজান মাসকে বরণে প্রস্তুত গাজাবাসী। ধ্বংসস্তূপকেই সাজানো হচ্ছে মনের মতো করে। কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও বিভিন্ন রঙে রাঙানো হয়েছে প্রিয় উপত্যকা। শিশুদের মধ্যেও স্বস্তি লক্ষ্যনীয়। তবে রমজানেও ফিলিস্তিনিদের ওপর আগ্রাসনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইলি দখলদার বাহিনী।
ইসরাইলি গণমাধ্যম চ্যানেল ১২ জানায়, রমজানে অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের ওপর টিয়ার গ্যাস ছোড়ার জন্য ড্রোন মোতায়েনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এরইমধ্যে পশ্চিম তীরে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা।
২০২৩ সালের অক্টোবরের পর জেরুজালেমে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করে ইসরাইল। পবিত্র আল আকসা মসজিদে নামাজ আদায়েও জারি করা হয় নানা বিধিনিষেধ। এবার রমজানে মুসল্লিদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতেই টিয়ার গ্যাস ছোড়ার ড্রোন মোতায়েনের পরিকল্পনা নেতানিয়াহু বাহিনীর।
এদিকে, মিশরের রাজধানী কায়রোর বাজারে রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোঁয়া। বিশেষ করে শুকনো ফলের দাম সবচেয়ে বেশি। আমদানি করা পণ্যও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। এতে করে সাধারণ মানুষের দুভোর্গ চরমে।
বাজারে প্রতি কেজি হ্যাজেলনাট বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৭০০ মিশরীয় পাউন্ডে। ফলে সাধারণ মানুষ সুস্বাদু হ্যাজেল নাটের পরিবর্তে চিনাবাদামে নিজেদের চাহিদা মেটাচ্ছেন। এছাড়াও বাদামের পাশাপাশি খেজুরের দামও বেশ চড়া। কেজি প্রতি খেজুর বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ মিশরীয় পাউন্ডে।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



