মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, আষাঢ় ৩ ১৪৩১

বাংলা বার্তা || Bangla Barta

ঐতিহাসিক ছয় দফা: শহীদের রক্তে লেখা

প্রকাশিত: ২০:৩৯, ৩ জুন ২০২৪; আপডেট: ২০:৪৪, ৩ জুন ২০২৪

ঐতিহাসিক ছয় দফা: শহীদের রক্তে লেখা

ছবি : সংগৃহীত

প্রতি বছর সাতই জুন, ‘ছয় দফা দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় আমরা পালন করি । জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ছয় দফা ও সাতই জুন অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে । জাতীয় জীবনে ছয় দফা ও সাতই জুনের গুরুত্ব অপরিসীম । বাংলার গণমানুষ ১৯৬৬-এর সাতই জুন স্বাধিকার ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবসহ সকল রাজবন্দীর মুক্তির দাবীতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সর্বব্যাপী হরতাল পালন করেছিল । এই দিনে মনু মিয়া, মুজিবুল্লাহসহ অসংখ্য শহীদের রক্তে রঞ্জিত হয় ঐতিহাসিক ছয় দফা। পরবর্তীতে '৬৯- এর গণআন্দোলনের সূচনালগ্নে ছয় দফা দাড়ি-কমা-সেমিকোলনসমেত এগারো দফায় ধারিত হয়ে, '৭০-এর ঐতিহাসিক নির্বাচনে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে আমরা এক দফা তথা স্বাধীনতা অর্জন করেছি ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিচক্ষণ ও দূরদর্শী নেতা ছিলেন। জাতীয় আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের অভিপ্রায় থেকেই তিনি জাতির উদ্দেশে ছয় দফা কর্মসূচী প্রদান করেছিলেন । যে জন্য ছয় দফাকে বলা হয় জাতির মুক্তিসনদ । বঙ্গবন্ধুর হৃদয়ের গভীরে সততই প্রবহমান ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা। প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতার বাইরে অন্য কোনো চিন্তা তাঁর ছিল না। জেল-জুলম-অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করে পরাধীনতার নাগপাশ থেকে বাংলাদেশকে তিনি স্বাধীন করেছেন। বঙ্গবন্ধু ছিলেন গণতান্ত্রিক-অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির প্রবক্তা। আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দিয়ে সর্বধর্মের, সর্ববর্ণের, সর্বশ্রেণীর মানুষের জন্য তিনি আওয়ামী লীগের দরোজা উন্মুক্ত করেছিলেন । তিনি চেয়েছিলেন বাংলাদেশ হবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র । যার যার ধর্ম সেই সেই পালন করবে । কারো ধর্ম পালনে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না ।

স্বৈরশাসক আইয়ুব খান এদেশের গণতান্ত্রিক শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করে সংখ্যাগুরু বাঙালী জাতিকে গোলামীর শৃঙ্খলে শৃঙ্খলিত করার জন্য ষড়যন্ত্র করেছিল । এর বিপরীতে, বাংলার প্রাণপ্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব '৬৬-এর ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে সম্মিলিত বিরোধী দলসমূহের এক কনভেনশনে বাংলার গণমানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের দাবী সম্বলিত বাঙালীর ‘মুক্তিসনদ' খ্যাত ঐতিহাসিক ‘ছয় দফা দাবি’ উত্থাপন করে তা বিষয়সূচীতে অন্তর্ভূক্ত করার প্রস্তাব করেন । কিন্তু সভার সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ আলী ‘ছয় দফা দাবী’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে ১১ ফেব্রুয়ারি, বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে ঢাকা বিমান বন্দরে সংবাদ সম্মেলনে এবিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। ২০ ফেব্রুয়ারি, আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে ‘ছয় দফা’ দলীয় কর্মসূচী হিসেবে গৃহীত হয় । ‘ছয় দফা’ ঘোষণার পর জনমত সংগঠিত করতে বঙ্গবন্ধু তাঁর সফর সঙ্গীসহ '৬৬-এর ২৫ ফেব্রুয়ারি, চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানের জনসভায় ‘ছয় দফা’কে ‘নূতন দিগন্তের নূতন মুক্তিসনদ' হিসেবে উল্লেখ করে চট্টগ্রামবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘একদিন সমগ্র পাক-ভারতের মধ্যে বৃটিশ সরকারের জবরদস্ত শাসনব্যবস্থাকে উপেক্ষা করে এই চট্টগ্রামের জালালাবাদ পাহাড়েই বীর চট্টলের বীর সন্তানেরা স্বাধীনতার পতাকা উড্ডীন করেছিলেন । আমি চাই যে, পূর্ব পাকিস্তানের বঞ্চিত মানুষের জন্য দাবী আদায়ে সংগ্রামী পতাকাও চট্টগ্রামবাসীরা চট্টগ্রামেই প্রথম উড্ডীন করুন।' চট্টগ্রামের জনসভার পর দলের

আসন্ন কাউন্সিল সামনে রেখে ‘ছয় দফা’র যৌক্তিকতা তুলে ধরতে তিনি একের পর এক জনসভা করেন । এরই অংশ হিসেবে ২৭ ফেব্রুয়ারি, নোয়াখালির মাইজদি, ওইদিনই বেগমগঞ্জ, ১০ মার্চ, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা, ১১ মার্চ, ময়মনসিংহ সদর ও ১৪ মার্চ, সিলেটে অনুষ্ঠিত জনসভায় জনতার দরবারে তাঁর বক্তব্য পেশ করেন ।

‘ছয় দফা’ প্রচার ও প্রকাশের জন্য বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ছয় সদস্য বিশিষ্ট ‘উপ কমিটি’ গঠন এবং তাঁরই নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবী : ছয় দফা কর্মসূচী' শীর্ষক একটি পুস্তিকা মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । একই বছরের ১৮, ১৯ ও ২০ মার্চ ছিল আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন । এদিন কাউন্সিল সভায় পুস্তিকাটি বিলি করা হয়। দলের সিনিয়র সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি' গীত হয় । বাঙালীর বাঁচার দাবী ‘ছয় দফা’কে উপলক্ষ্য করে '৬৬-এর মার্চে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের তিন দিনব্যাপী কাউন্সিল অধিবেশনটি ছিল সবিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। সেদিনের সেই কাউন্সিল সভায় আগত ১৪৪৩ জন কাউন্সিলর বঙ্গবন্ধুকে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতি, তাজউদ্দীন আহমদকে সাধারণ সম্পাদক ও মিজানুর রহমান চৌধুরীকে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত করে । 

‘ছয় দফা’র ভিত্তিতে সংশোধিত দলীয় গঠনতন্ত্রের একটি খসড়াও অনুমোদন করা হয়। ‘ছয় দফা’ কর্মসূচী প্রদানের সাথে সাথে ‘ছয় দফা’র ভিত্তিতে দলীয় গঠনতন্ত্র এবং নেতৃত্ব নির্বাচনে যে পরিবর্তন সাধিত হয় তা পরবর্তীকালে ‘ছয় দফা’র চূড়ান্ত পরিণতি এক দফা তথা স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠনের ইঙ্গিতবাহী ছিল। ‘ছয় দফা কর্মসূচী' দলীয় কর্মীদের মধ্যে বিশেষ করে আমাদের মতো অপেক্ষাকৃত তরুণ ছাত্রলীগ নেতৃত্বের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে ‘ছয় দফা’ এতোই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল যে, বাংলার প্রায় প্রতি ঘরে ঘরে এই পুস্তিকা সযত্নে রক্ষিত হয়েছিল। ‘ছয় দফা' সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু বলতেন, ‘সাঁকো দিলাম, স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতায় উন্নীত হওয়ার জন্য।' বস্তুত, ‘ছয় দফা' ছিল স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজমন্ত্র তথা অঙ্কুর । কাউন্সিল অধিবেশনের শেষদিন অর্থাৎ ২০ মার্চ চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে ঢাকার পল্টন ময়দানের জনসভায় দলীয় নেতা-কর্মী ও দেশবাসীর উদ্দেশে উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘চরম ত্যাগ স্বীকারের এই বাণী লয়ে আপনারা দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ুন । পূর্ব পাকিস্তানের প্রত্যন্ত প্রদেশের প্রতিটি মানুষকে জানিয়ে দিন, দেশের জন্য, দশের জন্য, অনাগতকালের ভাবী বংশধরদের জন্য সবকিছু জেনে-শুনেই আওয়ামী লীগের নেতা ও কর্মীরা এবার সর্বস্ব পণ করে নিয়মতান্ত্রিক পথে ছয় দফার ভিত্তিতে দেশব্যাপী আন্দোলনের জন্য এগিয়ে আসছে ।'

আওয়ামী লীগের এই কাউন্সিল অধিবেশনটি ছিল বাঙালীর ইতিহাসে বাঁক পরিবর্তন । যা '৬৯-এর মহান গণঅভ্যুত্থান, ৭০-এর ঐতিহাসিক নির্বাচন ও '৭১-এর মহত্তর মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি তৈরী করেছিল । কাউন্সিল সভার সমাপনী জনসভায় বঙ্গবন্ধু মুজিব বলেছিলেন, ‘ছয় দফার প্রশ্নে কোনো আপোষ নাই । রাজনীতিতেও কোনো সংক্ষিপ্ত পথ নাই । নেতৃবৃন্দের ঐক্যের মধ্যেও আওয়ামী লীগ আর আস্থাশীল নয় । নির্দিষ্ট আদর্শ ও সেই আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য নিবেদিত প্রাণ কর্মীদের ঐক্যেই আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে । আওয়ামী লীগ নেতার দল নয় –এ প্রতিষ্ঠান কর্মীদের প্রতিষ্ঠান । শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে এই ছয় দফা আদায় করতে হবে । কোনো হুমকিই ছয় দফা আন্দোলনকে প্রতিরোধ করতে পারবে না। ছয় দফা হচ্ছে বাঙালীর মুক্তি সনদ। 'স্বভাবসুলভ কণ্ঠে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের, ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে' উদ্ধৃত করে বলেছিলেন, ‘এই আন্দোলনে রাজপথে যদি আমাদের একলা চলতে হয় চলবো। ভবিষ্যৎ ইতিহাস প্রমাণ করবে বাঙালীর মুক্তির জন্য এটাই সঠিক পথ।' বঙ্গবন্ধু জানতেন, ‘ছয় দফা'ই কেবল বাঙালীর স্বাধিকার তথা পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত কর অখ- পাকিস্তানের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারে । পক্ষান্তরে, পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ পাঞ্জাবীরা ‘ছয় দফা’ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সংখ্যাগুরু বাঙালীর রাষ্ট্র ক্ষমতায় আরোহন ঠেকাতে সর্বশক্তি নিয়োগ করে– যা পরিণামে স্বাধীন বাংলাদেশের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে । সফলভাবে সমাপ্ত আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনের পর বঙ্গবন্ধু সারা দেশ চষে বেড়ান । ২৬ মার্চ সন্দ্বীপ এবং ২৭ মার্চ সাতকানিয়ার বিশাল জনসভায় ‘ছয় দফা কর্মসূচী' ব্যাখ্যা করে বক্তৃতা করেন। এরপর উত্তরাঞ্চল সফরে যান '৬৬-এর ৭ এপ্রিল। 

ওইদিন পাবনা ও নগরবাড়ির জনসমাবেশে বক্তৃতা করেন। একই মাসের ৮ তারিখ বগুড়া, ৯ তারিখ রংপুর, ১০ তারিখ দিনাজপুর, ১১ তারিখ রাজশাহী, ১৪ তারিখ ফরিদপুর, ১৫ তারিখ কুষ্টিয়া, ১৬ তারিখ যশোর এবং ১৭ তারিখ খুলনায় বিশাল সব জনসভায় ছয় দফার বিস্তারিত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণসহ বক্তৃতা করেন। এভাবে সারা দেশে ৩৫ দিনে মোট ৩২টি জনসভায় তিনি বক্তৃতা করেন । বিপুল সংখ্যক জনতার অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত লাগাতার জনসভায় প্রদত্ত বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতায় ‘ছয় দফা’র সপক্ষে জনমত প্রবল হয়ে ওঠে । ফলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবসহ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের উপর নেমে আসে স্বৈরশাসক আইয়ুবের নির্মম গ্রেফতার-নির্যাতন । প্রত্যেক জেলায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রদত্ত বক্তৃতার প্রতিপাদ্য বিষয়বস্তুর ওপর ভিত্তি করে বঙ্গবন্ধুকে প্রত্যেক জেলা থেকে জারিকৃত ওয়ারেন্ট বলে লাগাতার গ্রেফতার প্রক্রিয়া চলতে থাকে । ১৭ এপ্রিল, রাত ৪ টায় খুলনায় এক জনসভায় ভাষণদান শেষে ঢাকা ফেরার পথে রমনা থানার জারীকৃত ওয়ারেন্ট অনুযায়ী পাকিস্তান দেশরক্ষা আইনের ৪৭ (৫) ধারা বলে পুলিশ বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে । যশোর মহকুমা হাকিমের এজলাস হতে তিনি জামিন পান।সেদিনই রাত ৯টায় সিলেটে গ্রেপ্তার, পুনরায় জামিনের আবেদন এবং ২৩ তারিখ জামিন লাভ । 

২৪ এপ্রিল ময়মনসিংহে গ্রেফতার, ২৫ এপ্রিল জামিন । ‘ছয় দফা’ প্রচারকালে তিন মাসে বঙ্গবন্ধুকে সর্বমোট ৮ বার গ্রেফতার করা হয় । এভাবেই আইয়ুবের দমন নীতি অব্যাহত থাকে । একই বছরের ৮ মে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় ঐতিহাসিক ‘মে দিবস' স্মরণে শ্রমিক জনতার এক বিরাট সমাবেশে শ্রমিকরা বঙ্গবন্ধুকে বিপুল সংবর্ধনা জ্ঞাপন করে এবং পাটের মালায় ভূষিত করে । ভাষণদান শেষে রাত ১টায় তিনি যখন বাসায় ফেরেন তখন পাকিস্তান দেশরক্ষা আইনের ৩২ (১) ‘ক’ ধারা বলে তাঁকেসহ তাঁর ঘনিষ্ট রাজনৈতিক সহকর্মীদের গ্রেফতার করা হয় । ‘ছয় দফা’ দেওয়াকে অপরাধ গণ্য করে স্বৈরশাসক আইয়ুব বঙ্গবন্ধুকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী' হিসেবে অভিহিত করে দেশরক্ষা আইনের আওতায় আওয়ামী লীগের উপর অব্যাহত গ্রেফতার-নির্যাতন চালায় । সামরিক সরকারের এহেন কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের আহ্বানে ১৩ মে সমগ্র প্রদেশে ‘প্রতিবাদ দিবস' পালিত হয় । প্ৰতিবাদ দিবসের জনসভায় ‘ছয় দফা’র প্রতি গণমানুষের বিপুল সমর্থন প্রকাশ পায় । হাজার হাজার শ্রমিক এদিন স্বতঃস্ফূর্ত হরতাল পালন করে এবং পল্টনে অনুষ্ঠিত জনসভায় উপস্থিত হয়ে সরকারের দমন নীতির তীব্র প্রতিবাদ করে । দলের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমদকে গ্রেফতার করা হলে সাংগঠনিক সম্পাদক মিজান চৌধুরী অস্থায়ী সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। নেতৃবন্দের গ্রেফতার-নির্যাতনের বিরুদ্ধে ২০ মে আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে ‘সাতই জুন’ সর্বব্যাপী হরতাল আহ্বান করা হয়।

সাতই জুনের হরতালে সমগ্র পূর্ব বাংলা যেন অগ্নিগর্ভ। বিক্ষুব্ধ মানুষ স্বাধিকার ও বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজবন্দীর মুক্তির দাবীতে সোচ্চার হয় । আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, ছাত্রলীগের সার্বক্ষণিক কর্মী, ইকবাল হল (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ভিপি। সর্বজনাব শেখ

ফজলুল হক মণি, সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক, আমীর হোসেন আমু, সৈয়দ মাজহারুল হক বাকী, আব্দুর রউফ, খালেদ মোহাম্মদ আলী, নূরে আলম সিদ্দিকীসহ আরো অনেকে আমরা সেদিন হরতাল কর্মসূচী পালনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করি । সেদিনের হরতাল কর্মসূচীতে ধর্মঘটী ছাত্র-জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার জন্য সরকারের নির্দেশে পুলিশ বাহিনী নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে । পুলিশের গুলিতে তেজগাঁয় শ্রমিক মনু মিয়া, আদমজীতে মুজিবুল্লাহসহ এগারো জন শহীদ হন এবং প্রায় আটশ' লোককে গ্রেফতার করা হয়।

তেজগাঁ শিল্পাঞ্চলে হরতাল সফল করার দায়িত্বে ছিলেন ছাত্রনেতা খালেদ মোহাম্মদ আলী ও নূরে আলম সিদ্দিকী। তাঁরা সেখানে বক্তৃতা করেন। প্রকৃতপক্ষে সাতই জুন ছিল স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতার পথের আরম্ভস্থল তথা যাত্রাবিন্দু । আর আমরা যারা ছাত্রলীগের কর্মী ছিলাম, আমাদের স্বাধীনতার চেতনার ভিত্তিও স্থাপিত হয়েছিল এদিনটিতেই ।

বায়নের একুশে ফেব্রুয়ারি, মহান ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে '৬২-এর ১৭ সেপ্টেম্বর, ‘শিক্ষা আন্দোলন’; ‘৬৬-এর ৭ জুন, ‘ছয় দফা আন্দোলন'; '৬৯-এর ১৭ থেকে ২৪ জানুয়রি, ‘গণআন্দোলন- গণঅভ্যুত্থান'; ৯ ফেব্রুয়ারি, ১১-দফা বাস্তবায়ন ও বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবীতে ‘শপথ দিবস' পালন; স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের পদত্যাগ; আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার ও বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজবন্দীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০ ও ২১ ফেব্রুয়ারি, লাগাতার সংগ্রাম শেষে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম প্রদান; অতঃপর ২২ ফেব্রুয়ারি, সকল রাজবন্দীর মুক্তির পর বঙ্গবন্ধুর মুক্তি লাভ এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি, ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দি উদ্যান) ১০ লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতিতে ‘মুক্ত মানব শেখ মুজিব’কে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি প্রদান। পঞ্চাশের দশক থেকে বাঙালীর জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের লক্ষ্যে গড়ে তোলা সকল আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে ছাত্রলীগ । এসব মহিমান্বিত সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ছাত্রলীগ অর্জন করেছে গণতান্ত্রিক তথা নিয়মতান্ত্রিক আচরণ ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জয় করে নিয়েছে বাংলার মানুষের হৃদয় আর সৃষ্টি করেছে ইতিহাস।

অতীতে আমাদের সময়ে ছাত্রলীগের সম্মেলন গঠনতন্ত্র মোতাবেক প্রতি বছর ২১ মার্চের মধ্যে সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা ছিল । তা না হলে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটির কাছে নেতৃত্ব তুলে দিতে হতো। এটাই ছিল বিধান এবং গঠনতান্ত্রিক বিধি-বিধানের অন্যথা হওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না । বিধান মোতাবেক '৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের পর আমি ছাত্রলীগের সভাপতি এবং আসম আব্দুর রব সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে এক বছর পর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ২১ মার্চের মধ্যে সম্মেলন করে নূরে আলম সিদ্দিকী এবং শাজাহান সিরাজের কাছে নেতৃত্বের দায়িত্বভার অর্পণ করে আমাদের কমিটি বিদায় নেই এবং ২২ মার্চ হল ত্যাগ করে গ্রীন রোডে ‘চন্দ্রশীলা’ নামে একটি বাসা ভাড়া করে আমি এবং রাজ্জাক ভাই বসবাস শুরু করি । আজ অতীতের সেই সোনালী দিনগুলোর দিকে যখন ফিরে তাকাই স্মৃতির পাতায় দেখি, সেদিনের ছাত্রলীগ ছিল বাংলার গণমানুষের অধিকার আদায় তথা ‘মুজিবাদর্শ' প্রতিষ্ঠার ভ্যানগার্ড। মূলত বঙ্গবন্ধু মুজিবের নির্দেশে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের নেতৃত্বই সেদিন সারা দেশে সাতই জুনের কর্মসূচী সফলভাবে পালন করে স্বাধিকারের পথে এক অনন্য নজীর স্থাপন করে । আর বাংলার মেহনতী মানুষ আত্মত্যাগের অপার মহিমার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীসহ সমগ্র বিশ্বকে জানিয়ে দেয় যে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব প্রদত্ত ‘ছয় দফা'ই হচ্ছে বাঙালীর জাতীয় মুক্তির একমাত্র পথ ।

‘ছয় দফা’কে প্রতিহত করার জন্য পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠী বহু ষড়যন্ত্র করেছে। কিন্তু ‘ছয় দফা’র প্রতি বঙ্গবন্ধুর দৃঢ় স্থির-প্রতীজ্ঞাবোধ তাঁকে জনমনে জনগণমন অধিনায়কের আসনে অধিষ্ঠিত করে । '৬৬-এর ৮ মে বঙ্গবন্ধুকে কারাগারে নিক্ষেপ করে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দিয়েও ‘ছয় দফা’ আন্দোলনকে যখন রোধ করা যাচ্ছিল না, তখন বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়ে চিরতরে তাঁর কণ্ঠ স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য স্বৈরশাসক আইয়ুব খান ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিব ও অন্যান্য' মামলা দেন। ‘ছয় দফা’ দাবী আদায়ে এবং বঙ্গবন্ধুকে কারামুক্ত করতে বাংলার সর্বস্তরের মানুষসহ আমরা যারা ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম তারা '৬৯-এর ৪ জানুয়ারি, ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে ছয়-দফাকে এগারো দফায় অন্তর্ভূক্ত করে সারা বাংলার গ্রামে-গঞ্জে-শহরে-বন্দরে-কলে-কারখানায় ছড়িয়ে দিয়েছিলাম । ফলশ্রুতিতে এগারো দফা আন্দোলনের সপক্ষে সারাদেশে যে গণজোয়ার তৈরী হয় তাতে দেশে বৈপ্লবিক পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটে ।

শাসকশ্রেণী গণআন্দোলনকে নস্যাৎ করতে আমাদের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী' হিসেবে চিত্রিত করে। তাদের এই অপপ্রয়াসের সমূচিত জবাব দিতে '৬৯-এর ৯ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের শপথ দিবসের জনসমুদ্রে বলেছিলাম, ‘পূর্ব বাংলার মানুষ কোনদিন বিচ্ছিন্নতাকে প্রশ্রয় দেয়নি এবং বিচ্ছিন্নতায় বিশ্বাসীও নয় । কারণ তারা সংখ্যায় শতকরা ৫৬ জন । যদি কারো পূর্ব বাংলার সাথে থাকতে আপত্তি থাকে তবে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। নেতার এই নির্দেশ আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মেনে চলেছি। পাকিস্তান সেনাবাহিনী গণহত্যা চালানোর আগ পর্যন্ত কোনরকম উগ্রতাকে অতি বিপ্লবীপনাকে আমরা প্রশ্রয় দেইনি। নিয়মতন্ত্রের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু সংগ্রাম পরিচালনা করেছেন। বিচ্ছিন্নতাবাদের অভিযোগে আমাদের কখনোই অভিযুক্ত করা যায়নি। আমরা আমাদের মুক্তি সংগ্রামের ন্যায্যতা প্রমাণ করে মুক্তিসংগ্রামী হিসেবেই এগিয়ে গেছি । আর এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে সাতই জুনের কর্মসূচী পালনকালে শহীদদের বীরত্বপূর্ণ আত্মদান । সাতই জুন ছিল এর সূচনা বিন্দু । আমাদের জাতীয় জীবনে শত শহীদের রক্তে লেখা এদিনটি চেতনায় জাতীয় মুক্তির যে অগ্নিশিখার জন্ম দিয়েছিল, তারই ধারাবাহিকতায় '৭০-এর ২ জুন, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এবং তাঁরই নির্দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করি ।

আজ ৭ জুন, অতীতের অনেক স্মৃতি আমার মানসপটে ভেসে ওঠে । বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দেয় । বঙ্গবন্ধুর স্নেহে আমার জীবন ধন্য । সাতই জুনের চেতনাবহ এই দিনটি আমার জীবনে অম্লান হয়ে আছে। সাতই জুনে যে সকল শহীদ ভাইয়েরা তাঁদের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে, জীবন দিয়ে, বাংলার মানুষের মুক্তির পথকে প্রশস্ত করে গিয়েছেন তাঁদেরকে পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করি । তাঁদের অমর প্রাণের বিনিময়ে সংগ্রাম পরম্পরায় এক সাগর রক্তের বিনিময়ে জাতির পিতার নেতৃত্বে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ঐতিহাসিক সাতই জুন ছিল আমাদের স্বাধিকার ও স্বাধীনতার চেতনার প্রারম্ভ বিন্দু । এই দিনটিতে সাতই জুনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন কর্তব্য বলে মনে করি ৷

লেখক: উপদেষ্টাম-লীর সদস্য, আওয়ামী লীগ; সংসদ সদস্য।

[email protected]

বাংলাবার্তা/এআর

Right Side Advertisement
Right Side Advertisement
Middle Advertisement
Middle Advertisement Mobile

শীর্ষ সংবাদ:

হাইকোর্টের রায়ে মা পেল ২ মেয়ে, বাবা এক মেয়ে পবিত্র শবে বরাত ২৫ ফেব্রুয়ারি লোহাগড়ায় মাশরাফীর পথ সভা বিএনপি ২১ নেতাকর্মীর কারাদণ্ড, খালাস ১১ নির্বাচন নিয়ে বিএনপির তথ্য অসত্য : আনিসুল হক আখাউড়ায় স্কুলের বার্ষিক ফলাফল প্রকাশ ও বিদায় সংবর্ধনা সন্তান হারানোর ব্যথাটা কত কষ্টের পরিবারই জানে : হাইকোর্ট কাপ্তাইয়ে বন্য হাতির আক্রমণে এক শিক্ষার্থী নিহত উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের ইশতেহার : নাছিম নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ইতিহাস গড়লেন টাইগারদেরা সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নির্বাচন : রিট শুনবেন না হাইকোর্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভোট বর্জনের আহ্বানে লিফলেট বিতরণ রিমির আবেদনে সাড়া দেননি চেম্বার আদালত সাতদিন আদালত বর্জনের ঘোষণা ব্যাংকের ১১ কোটি টাকা ছিনতাই মামলার প্রতিবেদন দাখিল হয়নি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে মন্দিরে ভোট চাইলেন মমতাজ রাবিতে স্মার্ট ক্লাসরুম উদ্বোধন জনগণের প্রতিরোধে সরকার টিকবে না বিএনপি আসলে নির্বাচন আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতো : কাদের বিএনপি নির্বাচনে আসেনা নিজেদের কারণে : শেখ পরশ নির্বাচনি আচারণবিধি লংঘন, মাশরাফিকে জরিমানা সাকিবকে সতর্ক করলো ইসি প্রথমবারের মত কূটনীতিকদের অগ্রগতি জানাবে ইসি ইলেকশন অবজারভার কনসোর্টিয়ামের আত্মপ্রকাশ বিরোধী নেতা-কর্মীদের ভয় দেখাতে নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ড অব্যাহত নবীজীর রওজা শরিফে বছরে একবারের বেশি যাওয়া যাবে না ঝিনাইদহে বড়দিন উদযাপন ফজলুর রহমানের মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক টুকুর নির্দেশনায় রেলপথে নাশকতা: সিটিটিসি প্রধান ভোটকেন্দ্রে যেতে জোর জবরদস্তি করা যাবে না : ডিএমপি কমিশনার উত্তরায় ট্রেন লাইনচ্যুত ভোটের দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা ফেনীতে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু সীমান্ত সড়কে ট্রাক খাদে পড়ে হেলপার নিহত মঙ্গল-বৃহস্পতিবার বিএনপির গণসংযোগ ঝিনাইদহ-১ আসনের নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ ইসির খালে অবৈধভাবে মাছ চাষ বন্ধে দ্রুতই অভিযান: মেয়র আতিক বিএনপির আলতাফসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে রায় ২৮ ডিসেম্বর ন্যান্সির বাসায় চুরির মামলায় প্রতিবেদন দাখিল হয়নি খুলনায় ১২ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ ঝিনাইদহের নৌকার প্রার্থীর অফিস ভাঙচুর কারো প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি: ইসি আলমগীর রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রদূত তারিকুল ইসলাম রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রদূত তারিকুল ইসলাম অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তি: কাদের ফালুর অবৈধ সম্পদের মামলায় সাক্ষ্য হয়নি রেল ও সড়কপথ নিরাপদ রাখতে ২৫০০ আনসার গাজায় সময়ের সাথে দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি ফেনীর বিভিন্ন স্থানে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচিতে দেশে ১৪৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন খালেদার কেবিনে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশচেষ্টা, রিজভীর উদ্বেগ অবরোধ সমর্থনে স্বেচ্ছাসেবক দলের মিছিল ট্রেনের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত আ. লীগের প্রার্থীদের হুশিয়ার করলেন ওবায়দুল কাদের অসহযোগের প্রথম দিনেই জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছে: রিজভী বেনাপোলে ফাতেমা হত্যায় শ্বশুর-শাশুড়ি আটক আলজেরিয়ায় দুর্ঘটনায় গোলরক্ষক ও কোচ নিহত সন্ত্রাসীসহ ওয়ারেন্টভুক্তদের গ্রেফতার: পুলিশ সদর দপ্তর নির্বাচনে আমার উপর আক্রমণ হতেই পারে : হিরো আলম সাতক্ষীরায় সভা ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ বিরোধী দলের ২ জনসহ চারজন শনাক্ত: র‍্যাব বিএনপি-জামায়াতের ১২১ নেতাকর্মীর দণ্ড, খালাস ৪৬ জন নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কমিশন কাজ করে যাচ্ছে : ইসি রাশেদা বিএনপির ‘অসহযোগ আন্দোলন’ অতিরিক্ত সমস্যা: ডিএমপি কমিশনার আমারা বলতে চাই নির্বাচনে যাচ্ছি : জাপা মহাসচিব ডিএনসিসি মেয়রের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ভোটকেন্দ্রের শৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স : ইসি আহসান হাবিব পেষ্ট কন্ট্রোল প্রয়োগের ভুল তথ্যের কারণে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে ট্যাক্স, বিল বাকিদের আদায়ের হুশিয়ারি: কাদের মেট্রোরেলে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা এসএসসি পরীক্ষা ২০২৪ সময়সূচি প্রকাশ বিএনপির ১৪ নেতাকর্মীর কারাদণ্ড ট্রেনে আগুন : নাশকতাকারীদের নাম পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ বিজয় নিয়ে কোনো চিন্তা নেই: হানিফ শামীম হকের প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন, শুনানি ২ জানুয়ারি প্রার্থিতা বৈধ পেতে সাদিকের শুনানি ২ জানুয়ারি ফেনীতে নৌকার মিছিলে হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে রিজভীর লিফলেট বিতরণ বিশ্বে ফের বাড়ছে করোনার আতঙ্ক নির্বাচনে আমাদের উপর দেশি-বিদেশি কোন চাপ নেই রোমানিয়াতে বাংলাদেশিসহ আটক ১০৭ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রথম পর্বের ফল প্রকাশ মানুষের সেবা করব, অভিনয় চালিয়ে যাব : মাহিয়া মাহি স্মার্ট ও সুশৃঙ্খল সৈনিক হিসেবে কাজ করতে হবে : বিজিবি ডিজি খালেদা জিয়ার দুই মামলায় চার্জ গঠন শুনানির নতুন তারিখ অপহরণ করে ৯ লাখ টাকা আদায় করেন ২ এসআই গাংনীতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ভ্যান চালকের ঝিনাইদহে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ করদাতা সম্মাননা পেলেন জাহেদ ইকবাল ৩ দিনের গণসংযোগ, ১ দিনের অবরোধ ঘোষণা বিএনপির ভোটে আসার আর সুযোগ নেই : ইসি আলমগীর বেড়েই চলেছে চীনে ভূমিকম্পের মৃত্যুর সংখ্যা এবার বিএনপির ‘অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক গাজীপুরে জাল টাকার নোটসহ চক্রের পাঁচ সদস্য গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা আমানসহ ২১৩ নেতাকর্মীর বিচার শুরু ৪ জনের মৃত্যুতে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটি পেলো নতুন সভাপতি-সম্পাদক আগুনে মানুষ হত্যাকারীদের মনুষ্যত্ব নিয়ে সন্দেহ প্রধান বিচারপতির প্রার্থিতা ফেরাতে ফের আদালতে সাদিক শাহজালালে নারী যাত্রীর কাছে মিললো ৮ কেজি সোনা বেনাপোলে শ্রমিকদের হামলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ আহত ৫ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিশু পার্ক উদ্বোধন নাশকতায় ছাড় পাবে না কেউ : র‍্যাব মহাপরিচালক জেলে ২০ হাজার নয়, ১১ হাজার নেতাকর্মী বন্দী: কাদের সরকারের পরিকল্পনায় ট্রেনে আগুন’ রাবিতে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ বিএনপি জনপ্রত্যাখ্যাত রাজনৈতিক দল : নিজাম উদ্দিন হরিণাকুন্ডুতে পুকুরে মিলল বৃদ্ধার লাশ ঝিনাইদহে নির্বাচনী সহিংসতা, আহত ২ বিএনপি মাথা মুন্ডুহীন জনপ্রত্যাখ্যাত দল: নিজাম হাজারী অনলাইন গেমের ফাঁদে কিশোরীদের ব্লাকমেইল, গ্রেফতার প্রতারক হাজারীবাগে জমি দখল করতে গিয়ে হামলার অভিযোগ ‘জনগণ তাদের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ফেরত চায়’ সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি আনিছুরের জানাযায় আইজিপি যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা জি কে শামীমের জামিন স্থগিত নির্বাচন করতে পারছেন না সাদিক আবদুল্লাহ ‘সরকারের নাশকতার দায় বিরোধী দলের ওপর চাপানো হচ্ছে’ ১০৪ বার পেছাল সাগর-রুনির প্রতিবেদন কসোভোর বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান রাষ্ট্রপতির গুলিস্তান জিরো পয়েন্টে বাসে আগুন সাদিক আব্দুল্লাহর প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন ট্রেনে আগুনে ৪ জনের মৃত্যু; দুজনের পরিচয় মিলেছে সোহেলের নেতৃত্বে শান্তিনগর-কাকরাইলে মিছিল হরতালকারীরাই রেলে আগুন দিয়েছে: ডিএমপি কমিশনার বেনাপোলে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পলাতক প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আ. লীগের শামীম হক রাজধানীতে রিজভীর নেতৃত্বে ঝটিকা মিছিল ট্রেনে আগুন সুপরিকল্পিত নাশকতা: বিএনপি ট্রেনে আগুন সুপরিকল্পিত নাশকতা: বিএনপি রিট খারিজ, প্রার্থিতা ফিরে পেলেন না শাম্মী আহমেদও ৯ মামলায় মির্জা ফখরুলের জামিন আবেদন গ্রহণের নির্দেশ আজ সুপ্রিম কোর্ট দিবস হাইকোর্টেও ব্যর্থতা : প্রার্থিতা ফিরে পেলেন না আ.লীগের শামীম কুয়েতের আমিরের মৃত্যুতে আজ বাংলাদেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক সংঘর্ষের কবলে বাইডেনের বহরের গাড়ি ১৫ দিনের ছুটিতে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ে ৯.৭ ডিগ্রি অগ্নিসন্ত্রাস করে জনগণকে জয় করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী বিএনপি নেতাসহ আট আইনজীবীর জামিন বিএনপি-জামায়াতের ২৭ নেতাকর্মীর কারাদণ্ড রাঙ্গামাটিতে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে জাপা’র হারুন ফেনীতে ২৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ গাজীপুরে রেললাইন নাশকতার ঘটনায় সাতজন গ্রেপ্তার আচরণবিধি লঙ্ঘনে ক্ষমা চাইলেন মাহিয়া মাহি লায়ন্স ক্লাবের আন্তর্জাতিক প্রতিনিধির সাথে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত ৩ জানুয়ারি মির্জা ফখরুলের জামিন শুনানি বেনাপোলে ২ কোটি টাকার স্বর্ণের বার জব্দ হিরো আলমের ওপর হামলার প্রতিবেদন ২৪ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনায় বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী সোমবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল বিএনপির মারা গেছেন কুয়েতের আমির সাজেকে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় ফেনীতে ৪০০ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা ঝিনাইদহে গোয়াল ঘরে আগুন, দগ্ধ ৩টি গরু রাবিতে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে লাখো মানুষের ঢল বিজয় মিছিলে নির্বাচনবিরোধী কর্মকাণ্ড করা যাবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে যা লিখলেন প্রধানমন্ত্রী ইসির আপিল শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ২৭৫ জন শরিকদের জয়ের নিশ্চয়তা দেবে না আ. লীগ : কাদের ইরানে পুলিশ স্টেশনে হামলায় নিহত ১১ নাশকতা এড়াতে নতুন কৌশলে চলবে ট্রেন চুয়াডাঙ্গায় জেঁকে বসেছে শীত, জনদুর্ভোগ চরমে বরিশাল-৫ আসনে জাহিদের প্রার্থীতা বৈধ, বাদ পড়লেন সাদিক জামালপুরে সড়কে প্রাণ গেল দুই ব্যবসায়ীর অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব থাকায় শাম্মীর প্রার্থীতা বাতিল ফরিদপুর-৩ আসনে বাদ পড়লেন শামীম, টিকে রইলেন আজাদ মেসির জার্সি ৮৫ কোটি টাকায় বিক্রি আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত এক বাংলাদেশি হ্যালো স্যার,একটু দরজাটা খুলবেন! চাঁদ দেখা গেছে জমাদিউস সানি শুরু বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ছোট্ট সোনামণির শ্রদ্ধা গাজীপুরে রেলে নাশকতার ঘটনায় ঢাকায় মামলা ভবিষ্যতেও দুই দেশের বন্ধুত্ব অব্যাহত থাকবে : ভারতীয় হাইকমিশনার ঝিনাইদহে শিশুদের ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার প্রকোপ ফেনীতে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত বিএনপির রাজনীতি করার অধিকার নেই : প্রধানমন্ত্রী নৌকার সালামের প্রার্থীতা বাতিল পাঁচ দিনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ২৫৭ জন কাঁচা খেজুরের রস বিক্রি বন্ধের অনুরোধ ২০২৪ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছুটি ৭৬ দিন একদিন পর রেল চলাচল শুরু সাংবাদিকদের ওপর দুর্বৃত্তের হামলা : আসামি কারাগারে ১৮ ডিসেম্বর থেকে বন্ধ রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি ঢাকায় একদিনে ২.৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমেছে রাবিতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত ইসিতে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের হাতাহাতি, আটক ২ ঝিনাইদহে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন মজনুসহ ১৩ জনের আড়াই বছরের কারাদণ্ড, খালাস ৫ বিএনপি নেতা নীরবসহ ৩৪ জনের কারাদণ্ড পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.৩ ডিগ্রি মির্জা ফখরুলের জামিনের শুনানি রোববার নির্বাচন নয়, বানরের পিঠে ভাগাভাগি হচ্ছে : মইন খান বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আখতারুজ্জামানের প্রার্থীতা বৈধ অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি টেক ট্রিপের আত্নপ্রকাশ সভা-সমাবেশ বন্ধে ইসির সিদ্ধান্ত গণবিরোধী: বিএনপি অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে : ওবায়দুল কাদের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা বিএনপির আন্দোলন মানুষ হত্যা করা: প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি ডিপজল মানসিক রোগের শারীরিক লক্ষণ বাজারে সরবরাহ বেড়েছে মুড়িকাটা পেঁয়াজ, দামও কম ইসির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় প্রথমবার টিএসসিতে থামল মেট্রোরেল স্পেনের বিনিয়োগকে স্বাগত জানানো হবে : প্রধানমন্ত্রী রিজার্ভে যোগ হবে আইএমএফের দ্বিতীয় কিস্তি : বাংলাদেশ ব্যাংক শাহবাগে যাত্রীবাহী বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পাবে নিহতের পরিবার : রেলওয়ে মহাপরিচালক গাজীপুরে ট্রেন দুর্ঘটনা বিএনপির নাশকতা: কাদের নুরের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদন ৭ ফেব্রুয়ারি যশোর-৪ আসনে আ.লীগ প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল চেয়ে রিট শাহজালালে ৭ ঘণ্টা ফ্লাইট উঠানামা বন্ধ ধানমন্ডিতে বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা কমলাপুরে ইশরাকের নেতৃত্বে বিএনপির মিছিল বাড়বে শীত,আসছে শৈত্যপ্রবাহ ২০ লাখ টাকার লোভে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে স্ত্রীকে হত্যা গাজীপুরে লাইনচ্যুত ট্রেন,নিহত ১,আহত ৭ থার্টি ফার্স্ট নাইটে ডিএমপির কড়া সতর্কতা টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে মাহিয়া মাহির শ্রদ্ধা পুলিশের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে: আইজিপি আগুন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা : কাদের বুয়েট শিক্ষার্থী হত্যা মামলার তারিখ পেছাল প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা : আপিল বিভাগে নিপুণের জামিন বহাল হার্ট ব্লক ও মানসিক অবস্থা ধানমন্ডিতে ছাত্রদলের মিছিল খাগড়াছড়িতে প্রতিপক্ষের গুলিতে ৪ ইউপিডিএফ সদস্য নিহত সকালের শুরুতেই গুলিস্তানে বাসে আগুন ফেনীতে মূসক সম্মাননা পেলেন ৯ প্রতিষ্ঠান বঙ্গভবনে শাকিবের সঙ্গে মার্কিন নায়িকা বিপুল সম্পদে, তবুও স্বপদে বহাল দুদকের মাহবুবুল আলম জাতীয় নির্বাচনের তফসিল বৈধ: হাইকোর্ট ইতালিতে ২ ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ সন্ধ্যায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠক দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে আপিল শুনানি বায়ূ দূষণের শীর্ষে ঢাকা আওয়ামী লীগের যৌথ সভা আজ গাজায় ২৪ ঘণ্টায় নিহত ৩০০ ফিলিস্তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র থাকলেই ভোটার নয় : ইসি আওয়ামী লীগে যোগদিলেন বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী সম্মেলন আজ, থাকছে বাংলাদেশও অর্ধবেলা সুপ্রিম কোর্টের বিচারিক কাজ বন্ধ যুক্তরাষ্ট্রে টর্নেডোয় নিহত ৬ আইল্যান্ডে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, নিহত ২ ভারত থেকে এলো ৭৪৩ টন পেঁয়াজ মানবাধিকার দিবসে চলছে বিএনপির মানববন্ধন ইসিতে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন যারা কমিশনার ও এসপিদের প্রত্যাহারের নির্দেশ ইসির