ছবি : সংগৃহীত
সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে কুচক্রী মহল ভুয়া ও অতিরঞ্জিত তথ্য ছড়াচ্ছে বলে জাতিসংঘ ফোরামে জানিয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ২ দিনব্যাপী জাতিসংঘের সংখ্যালঘুবিষয়ক ফোরামের ১৭তম অধিবেশনে বাংলাদেশের সরকারের পক্ষ বিষয়টি জানানো হয়।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরে বলা হয়, ‘ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল মানুষের স্বাধীনভাবে ধর্মচর্চা ও মতপ্রকাশের অধিকার বজায় আছে। অন্তর্বর্তীকালী সরকারের প্রধান লক্ষ্যই হলো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যসহ দেশের প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা।’
জাতিসংঘ ফোরামে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম এসব কথা তুলে ধরেন।
ফোরামে বক্তব্যে কয়েকজন বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর গ্রেফতার নিয়েও অভিযোগ করা হয়।
বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশের মানুষ যখন ধর্মীয় সম্প্রীতির গৌরবজনক উদাহরণ তৈরি করেছে, তখন আমরা দেখতে পেলাম সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে কিছু কুচক্রী মহল ভুয়া, মিথ্যা ও অতিরঞ্জিত প্রতিবেদন প্রকাশ করছে। দুঃখজনকভাবে এই ফোরামেও আমরা সেটি হতে দেখেছি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এ ধরনের অনেক অপপ্রচার উন্মোচিত হয়েছে। বাস্তবে কী ঘটছে, তা পর্যবেক্ষণে বিদেশি সাংবাদিকদের বাংলাদেশ সফরে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত সরকার।’
বাংলাবার্তা/এমআর
.png)
.png)
.png)



