ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষা খাতে তিন অগ্রাধিকারের কথা জানিয়েছেন নতুন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সেগুলো হলো শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনতে উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি, জাতীয় কারিকুলাম রিভিউ ও পরিমার্জন এবং কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়ন। পাশাপাশি ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। এ ছাড়া ১৮০ দিনের রোডম্যাপের মাধ্যমে কোন পর্যায়ে কিভাবে বাস্তবায়িত হবে তা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অগ্রাধিকারের কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন। এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মান ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে মনিটরিং জোরদার করা হবে। শিক্ষা খাতে দুর্নীতির কোনো সুযোগ থাকবে না।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় নৈতিকতা, জবাবদিহি ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
শিক্ষকদের দলীয়করণ ও শ্রেণিকক্ষ ছেড়ে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকতার মূল দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের পাঠদান। দাবিদাওয়া থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে, কিন্তু ক্লাস ফেলে রাজপথে নামা গ্রহণযোগ্য নয়। সরকার শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান ও দাবি বিবেচনায় নিয়ে সমাধানের পথেই অগ্রসর হবে।
ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি নীতিমালার আওতায় আনার বিষয়ে পর্যায়ক্রমে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান সরকারি বিধি-বিধানের বাইরে থেকে পরিচালিত হতে পারবে না। মন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানান, যত্রতত্র অনিবন্ধিত বা অস্থায়ী অবকাঠামোয় স্কুল পরিচালনা গ্রহণযোগ্য নয়। নিবন্ধন ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার সুযোগ থাকবে না।
বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণ ভাতা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার বিষয়ে মন্ত্রী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, এই ট্রাস্ট দ্রুত পুনর্গঠন এবং বকেয়া ভাতা পরিশোধের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি সরকারের তাত্ক্ষণিক অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



