ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বৃহস্পতিবার বলেছেন, হামাস নিরস্ত্রীকরণ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় কোনো পুনর্গঠন শুরু হবে না। একই সময়ে ওয়াশিংটনে ‘বোর্ড অব পিস’-এর উদ্বোধনী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
গাজা উপত্যকায় দুই বছরের যুদ্ধ বন্ধে গত অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পর গঠিত এ বোর্ডের প্রথম বৈঠকে প্রায় দুই ডজন বিশ্বনেতা ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা অংশ নেন।
ওই বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজার জন্য পাঁচ বিলিয়ন ডলারের বেশি অঙ্গীকার ঘোষণা করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সেখানে অধিকাংশ ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়া ট্রাম্প গাজায় রিসোর্ট উন্নয়নের প্রস্তাবও দিয়েছেন।
এক সামরিক অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা আমাদের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একমত হয়েছি যে গাজার নিরস্ত্রীকরণ ছাড়া গাজার পুনর্গঠন হবে না।’
ওয়াশিংটনের বৈঠকে গাজায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) কিভাবে চালু করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা করা হবে।
বোর্ডের সামনে সবচেয়ে স্পর্শকাতর ইস্যুগুলোর একটি হলো ইসলামপন্থী আন্দোলন হামাসের ভবিষ্যৎ।
ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে লড়াই করা এই সংগঠনটি এখনো গাজায় প্রভাব বজায় রেখেছে।
হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় দাবি এবং যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ নিয়ে আলোচনার একটি প্রধান বিষয়।
ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহচর ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফসহ মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, এ বিষয়ে দৃঢ় অগ্রগতি হচ্ছে এবং হামাস অস্ত্র ত্যাগের জন্য চাপের মুখে রয়েছে।
ইসরায়েল ছোট ব্যক্তিগত রাইফেল জব্দসহ ব্যাপক সীমাবদ্ধতা আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে।
গাজার দৈনন্দিন প্রশাসন পরিচালনার জন্য গঠিত ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি নিরস্ত্রীকরণ ইস্যু কীভাবে মোকাবিলা করবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
১৫ সদস্যের ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজা (এনসিএজি) ‘বোর্ড অব পিস’-এর তত্ত্বাবধানে কাজ করবে এবং এর প্রধান আলী শাআথ বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনের বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।
বাংলাবার্তা/এমএইচ
.png)
.png)
.png)



